সিশেলসের হার
স্পোর্টস রিপোর্টার
আফ্রিকান ফুটবলের লড়াই দেখল বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের দর্শকরা। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলে খেলতে আসা দুই অচেনা দলের লড়াইয়ে বুরুন্ডি ৩-১ গোলে সিশেলসকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিফাইনালে উঠল।
গোল করে এগিয়ে ছিল সিশেলস, তারপর তিন গোল হজম করল। আগের ম্যাচেও বুরুন্ডি মরিসাশের বিপক্ষে ৪-১ গোলে জিতেছিল। এক গোল হজম করে চার গোল করেছিল। দুই ম্যাচে সাত গোল বুরুন্ডির।
ঢাকার মাঠে আফ্রিকান ফুটবলের ছড়াছড়ি। অথচ বুরুন্ডির ফুটবলারদের মতো খেলোয়াড়ের দেখা পাওয়া কঠিন। যারা গাঁটের টাকা খরচা করে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে এসে খেলা দেখছেন বুরুন্ডির ম্যাচে তাদের পয়সা উসুল হয়েছে।
আফ্রিকান ফুটবলার বলে নাক সিটকানো দর্শক মুগ্ধ হয়েছেন বুরুন্ডির দুই ম্যাচের সঙ্গে মরিশাস এবং সিশেলসের খেলা দেখে। তাদের পায়ে কাজ আছে। খেলার ভঙ্গিমা দেখে দর্শক দারুণ দারুণ বলে আওয়াজ তোলে।
দুই জয়ে বুরুন্ডির আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। খেলা শেষে কোচ বিপফুবুসা জসলিন জানিয়ে গেলেন এর চেয়েও ভালো খেলতে পারবেন তারা। সেমিফাইনালে বাংলাদেশ না শ্রীলঙ্কা কাকে চাই ? এমন প্রশ্ন উড়িয়ে বললেন, ‘যেই আসুক কোনো সমস্যা নেই। আমরা বাংলাদেশের খেলা দেখেছি এবং শ্রীলঙ্কার খেলাও দেখেছি। লড়াই করার জন্য প্রস্তুত।’
জনসংখ্যা ১ লাখেরও কম সিশেলস গতকালই প্রথম ম্যাচ খেলল বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলে। এখনো সুযোগ আছে দলটির। মরিসাশের বিপক্ষে শেষ ম্যাচ আগামীকাল। সিশেলস ২০০৬ সালে বিশ্ব ফুটবলের র্যাংকিংয়ে ১০৬ নম্বরে ছিল। এখন ২০০তম স্থানে।
১৯৭৯ সালে মালদ্বীপের বিপক্ষে ৯-০ গোলের জয়টা তাদের ফুটবল ইতিহাসে সবচেয়ে বড়ো জয়। ৯-১ গোলের বড়ো হার লিবিয়ার বিপক্ষে। ১৯৭৬ সালে ব্রিটিশ কলোনী থেকে মুক্ত হয়। বাস্কেটবল তাদের জনপ্রিয় খেলা। ২০১৫ সালে আফ্রিকান গেমসের চূড়ান্ত পর্বে খেলা সিশেলসের ক্রীড়া ইতিহাসে নাকি সর্বোচ্চ অর্জন। তবে ২০১১ সালে ভারত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রীয় গেমসে মরিশাসকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়ে ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল সিশেলস।