মীর্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
মীর্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা
মীর্জাগঞ্জ উপজেলায় ৫০ শয্যাবিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গাইনি সার্জন ও অ্যানেসথেটিস্টের পদ শূন্য থাকায় প্রসূতি মায়েদের সিজারসহ বড়ো ধরনের কোনো অপারেশন করা যাচ্ছে না। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন প্রসূতিরা।
মীর্জাগঞ্জ উপজেলার প্রসূতি মায়েদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাদের পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কিংবা বরিশাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ অবস্থায় প্রসূতিদের অনেকে আবার অর্থনৈতিক ও অন্য সমস্যার কারণে মীর্জাগঞ্জে বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি হয়ে অপারেশন করিয়ে নেন। প্রসূতি মায়েরা আরো বলেন, সরকারি হাসপাতালে এই অপারেশন হলে স্বল্প খরচেই তাদের সিজার করা সম্ভব হতো। এতে তাদের আর্থিক সাশ্রয় হতো। দুর্ভোগের মাত্রাও কম হতো।
মীর্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, এখানে নরমাল ডেলিভারির ব্যাপারে প্রসূতি মায়েদের সেবা দেওয়া হলেও দীর্ঘদিন ধরেই গাইনি সার্জন ও অ্যানেসথেটিস্টের পদ শূন্য থাকায় প্রসূতি মায়েদের সিজারসহ বড়ো ধরনের কোনো অপারেশন করা যাচ্ছে না। তিনি আরো বলেন, ৫০ শয্যার এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ওটির যন্ত্রপাতি দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার না করায় এগুলো নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে এ ব্যাপারে জেলা সিভিল সার্জনকে প্রতি মাসেই অবহিত করা হচ্ছে।
পটুয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মীর্জাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসব সমস্যার ব্যাপারে ডিজিকে জানিয়েছি। কিন্তু পর্যাপ্ত সংখ্যক কনসালটেন্ট এবং অ্যানেসথেটিস্ট না থাকায় এ মুহূর্তে সেখানে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে এ বিষয় অবশ্যই পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।