ই-পাসপোর্ট বুধবার থেকে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্ট পেতে যাচ্ছেন দেশের নাগরিকেরা। তবে আপাতত শুধু ঢাকার আগারগাঁও, উত্তরা ও যাত্রাবাড়ী পাসপোর্ট কার্যালয় থেকে এটি দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী বুধবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ই-পাসপোর্ট বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন। গতকাল রবিবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সর্বপ্রথম ই-পাসপোর্ট পাবেন জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সবাই এই পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবে। প্রথমে উত্তরা, আগারগাঁও ও যাত্রাবাড়ী থেকে ই-পাসপোর্ট দেওয়া হবে এবং পর্যায়ক্রমে সারাদেশে এই কার্যক্রম চালু হবে। এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালের মধ্যেই সারাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম চালুর চিন্তা রয়েছে সরকারের। এছাড়া বিদেশে অবস্থানরতরাও পর্যায়ক্রমে ই-পাসপোর্ট পাবেন। পাশাপাশি এমআরপি পাসপোর্ট কার্যকর থাকবে বলেও জানান আসাদুজ্জামান খান।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ই-পাসপোর্ট হবে ৪৮ ও ৬৪ পাতার। আর মেয়াদ হবে ৫ ও ১০ বছর মেয়াদি। ৪৮ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি সাধারণ পাসপোর্টের (১৫ দিনের মধ্যে দেওয়া হবে) জন্য ফি লাগবে ৩ হাজার ৫০০ টাকা। আর সাত দিনের মধ্যে (জরুরি) পেতে হলে ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং দুই দিনে (অতি জরুরি) পাওয়ার জন্য খরচ করতে হবে ৭ হাজার ৫০০ টাকা। একইসংখ্যক পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ই-পাসপোর্টের জন্য ৫ হাজার, জরুরি ৭ হাজার এবং অতি ?জরুরির জন্য ৯ হাজার টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

আর ৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট করতে লাগবে যথাক্রমে ৫ হাজার ৫০০ টাকা, জরুরি ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং অতি জরুরি ১০ হাজার ৫০০ টাকা। ৬৪ পৃষ্ঠার ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট করতে লাগবে যথাক্রমে ৭ হাজার (সাধারণ), ৯ হাজার (জরুরি) ও ১২ হাজার (অতি জরুরি) টাকা। ই-পাসপোর্টের আবেদন অনলাইনে অথবা পিডিএফ ফরমেট ডাউনলোড করে পূরণ করা যাবে। এতে  কোনো ছবির প্রয়োজন হবে না। কাগজপত্রও সত্যায়ন করতে হবে না।