আসন্ন ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাইবার ক্রাইম নিয়ন্ত্রণে সোশ্যাল মিডিয়া মনিটরিং করা হচ্ছে। এছাড়া আগামী ১ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের দিন ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় মোটরসাইকেল, ট্যাক্সিক্যাব, ট্রাক ও ইজিবাইক চালানো যাবে না। তবে সীমিত আকারে চলবে পাবলিক বাস।
গতকাল রবিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভাপতিত্ব করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। সভায় সিদ্ধান্ত হয়, নির্বাচন উপলক্ষ্যে আগামী ৩০ জানুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বৈধ অস্ত্র পরিবহন, বহন ও প্রদর্শন করা যাবে না। স্বাভাবিক নিরাপত্তার পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রে মোবাইল টহল, গোয়েন্দা টিমসহ প্রয়োজনীয় নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে।
এছাড়া নির্বাচন কমিশন ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা দিলে সেখানে বাড়তি নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকবে বলেও সভায় সিদ্ধান্ত হয়। সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সুষ্ঠু ভোটের জন্য গোয়েন্দা সংস্থা, নিরাপত্তা বাহিনী যেখানে যা প্রয়োজন, নির্বাচন কমিশন যেভাবে যা দেবে আমরা তৈরি আছি। আমাদের কিছু সুপারিশ নির্বাচন কমিশনকে দিচ্ছি। সে অনুযায়ী বাকি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
সভায় পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম, নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২) ফরহাদ আহম্মদ খান উপস্থিত ছিলেন।