রাজশাহীর বাঘায় নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তা নির্মাণকে কেন্দ্র করে উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারপিটের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরসহ অর্ধদিবস কর্ম বিরতি পালন করেছেন বাঘা উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ কর্মবিরতি পালন করা হয়।
অভিযুক্তের নাম সেলিম হোসেন (২৮)। তিনি বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্থানীয় ঠিকাদার আব্দুল কুদ্দুস সরকারের ছেলে।
জানা গেছে, রবিবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে রাজশাহীর বাঘায় নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ পেয়ে কাজ বন্ধ রাখতে বলায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহাম্মেদকে অফিসে এসে মারপিট করেন সেলিম। এ ঘটনায় ওই প্রকৌশলী মামলা দায়েরের পর কর্মবিরতি পালন করা হয়।
বাঘা উপজেলা প্রকৌশলী শ্রী রতন কুমার বলেন, অন্যায় ভাবে সরকারী কর্মকর্তাদের গায়ে হাত তুলবে এটা মেনে নেওয়া যায়না।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তকে আটকের চেষ্টা চলছে।
আরও পড়ুন: মধ্যসত্বভোগী ও সুষ্ঠু বাজারজাতকরণের অভাবে বঞ্চিত চলনবিলের মৌচাষীরা
প্রসঙ্গত, চলতি অর্থ বছরে বাঘা উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) থেকে উপজেলার হাবাসপুর এলাকায় ৩৮ লাখ ৩৪ হাজার টাকা ব্যয়ে পাঁচশ মিটার সাব-বেইজ রাস্তা নির্মাণ প্রকল্পের কাজ করছেন বাঘা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস সরকার। আর এটি দেখভাল করছেন তার ছেলে সেলিম হোসেন। অভিযোগ রয়েছে, রাস্তা নির্মাণ কাজে অনেক নিম্নমানের ইট ব্যবহার করায় স্থানীয় লোকজন সকালে উপজেলা প্রকৌশলীকে অভিযোগ করেন।
সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহাম্মেদ ঘটনাস্থলে গিয়ে সংশ্লিষ্ট লেবারদের কাজ বন্ধ করতে বলে অফিসে চলে আসেন। এর কিছুক্ষণ পর সেলিম অফিসে আসেন এবং ফরিদকে লাঞ্ছিত করেন।
ইত্তেফাক/এসি