ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির নির্বাচনে একের পর এক আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে খোদ নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেছেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কার্যক্রম দৃশ্যমান নয়। এই পরিস্থিতিতে ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচন কমিশনের প্রতি জনগণের আস্থার সংকট নিরসন সম্ভব হবে না। সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ বাকি তিন নির্বাচন কমিশনার, ইসির সিনিয়র সচিব ও দুই রিটার্নিং অফিসারকে লেখা এক আনঅফিসিয়াল (ইউও) নোটে তিনি এ কথা বলেন।
ইউও নোটে তিনি বলেছেন, গত ১৩ জানুয়ারি প্রদত্ত আমার ইউও নোটে সংসদ সদস্যদের নির্বাচনি প্রচারণা বা নির্বাচনি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ বন্ধ করার জন্য একটি পরিপত্র জারির অনুরোধ জানিয়েছিলাম। পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, নির্বাচনে সমন্বয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন সংসদ সদস্য নির্বাচনি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। আরেকজন সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে ঢাকা শহরে রাজনৈতিক বক্তৃতা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এ সকল কার্যক্রম সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনের সুস্পষ্ট নির্দেশনাসহ পরিপত্রটি জারির আবশ্যকতা রয়েছে বলে মনে করি।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা, নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম, বেগম কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদত হোসেন চৌধুরী, ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর, উত্তরে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবুল কাসেম এবং দক্ষিণের রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেনকে নোটটি পাঠানো হয়।