পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেডের চেয়ারম্যান এম এ হাশেম, এমডি এম নুরুল আলম, পরিচালক পি কে হালদারসহ ২০ জনের সব ব্যাংক হিসাব ও পাসপোর্ট জব্দের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাদের দেশত্যাগেও নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এ সংক্রান্ত এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন।
আদেশে ঐ ২০ জনের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ জব্দেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদকে ইন্টারন্যাশনালের লিজিংয়ের চেয়ারম্যান ও স্বাধীন পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে হাইকোর্ট। ঐ ২০ জন হলেন—এম এ হাশেম, এম নুরুল আলম, পরিচালক জহিরুল আলম, নাসিম আনোয়ার, বাসুদেব ব্যানার্জি, পাপিয়া ব্যানার্জি, মোমতাজ বেগম, নওশেরুল ইসলাম, আনোয়ারুল কবির, প্রকৌশলী নুরুজ্জামান, আবুল হাসেম, মো. রাশেদুল হক, পি কে হালদার, পি কে হালদারের মা লীলাবতী হালদার, স্ত্রী সুষ্মিতা সাহা, ভাই প্রিতুষ কুমার হালদার, চাচাতো ভাই অমিতাভ অধিকারী, অভিজিত্ অধিকারী, ব্যাংক এশিয়ার সাবেক পরিচালক ইরফান উদ্দিন আহমেদ, পিকে হালদারের বন্ধু উজ্জ্বল কুমার নন্দী। আদালত বলেছে, আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তাদের জব্দকৃত সব ধরনের ব্যাংক হিসাবের তথ্য তার কাছে দাখিল করতে বলা হয়েছে। যাতে তিনি আদালতকে এ সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে পারেন। ঋণ অনুমোদনে অনিয়মসহ নানা কারণে আর্থিক সংকটে পড়ে ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস লিমিটেড।