বুরুন্ডির কাছে তিন গোলে হেরে বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলের সেমিফাইনাল হতে বিদায় নেওয়ায় বাংলাদেশের ইংলিশ কোচ জেমি ডে ক্ষুব্দ। অনেক সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি তার শিষ্যরা। তাই ক্ষুব্দ হন কোচ।
গতকাল সংবাদ সম্মেলন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আফসোসের শেষ ছিল না জেমির। কত পরিকল্পনা করে ভাঙা দলটাকে সাজিয়ে মাঠে নামিয়েছিলেন তিনি। তার আশা ছিল, পরিকল্পনা অনুসারে খেলতে পারলে গোলের দেখা পাবেন। পেয়েও ছিলেন। কিন্তু একহাত দূরে দাঁড়িয়েও গোল করতে না পারলে কোচ আর কি করবেন। কোচের মনে কষ্ট লাগার এটাই সবচেয়ে বড়ো কারণ।
তারপরও সংবাদ সম্মেলনে জেমি ডে খেলোয়াড়দের পক্ষেই কথা বলে গেছেন। আটবার গোলের সুুযোগ পেয়েছিল বাংলাদেশ সেসব কাজে লাগেনি। জেমি বলেন, ‘আটটা সুযোগের মধ্যে কোনোটাই কাজে লাগাতে পারেনি। আর বুরুন্ডি ছয়টার মধ্যে তিনটা কাজে লাগিয়েছে।’
তারপরও খেলায় সন্তুষ্ট জেমি। জেমি বললেন, ‘যে খেলা হয়েছে তাতে আমি খুশি। কিন্তু গোল করতে না পারা, ম্যাচ হেরে যাওয়ায় আমি হতাশ।’ তবে মতিন মিয়ার ইনজুরি নিয়ে জেমি বললেন, ‘এটা কোনো প্রভাব ফেলেনি। আমরা কাটিয়ে ওঠেছি।’
বাংলাদেশ যখন আক্রমণের স্রোত বইয়ে দিল তখন একটা সুযোগেই জামালদের জালে বল ঢুকতে শুরু করল। বুরুন্ডি যেন অপেক্ষায় ছিল বাংলাদেশ ভুল করবে সেটা কাজে লাগাবে। বুরুন্ডির খেলার ধরন বাংলাদেশের চেয়ে ভিন্ন। মাথা ঠান্ডা করে লড়াই চালায়। প্রতিপক্ষের ভুলের অপেক্ষায় থাকে। বাংলাদেশ যখনই ভুল করেছে তখনই গোলের উল্লাস করেছে বুরুন্ডি।
বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ফুটবলে বাংলাদেশের প্রাপ্তি কি? এমন প্রশ্নে জেমি বললেন, ‘আমরা তিনটা ভালো ম্যাচ খেলেছি।’