স্পোর্টস ডেস্ক
লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার প্রথম টি-টোয়েন্টি এরই মধ্যে হয়ে গেছে। আর তাতে বাংলাদেশ হেরে গেলেও র্যাংকিং বা অন্তত রেটিং পয়েন্টে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ আছে বাংলাদেশ দলের সামনে।
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করলেই র্যাংকিংয়ের সপ্তম স্থানে উঠত মাহমুদুল্লাহ রিয়াদের দল। সেই সুযোগ এখন আর নেই। হোয়াইটওয়াশ করলে বাংলাদেশের রেটিং হতো ২৩৭। ফলে অষ্টম ও নবম স্থানে নেমে যেত যথাক্রমে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা।
আর হোয়াইটওয়াশ হলে র্যাংকিংয়ের তৃতীয় স্থানে নেমে যেত পাকিস্তান। তখন ২৬২ রেটিং হতো তাদের। দক্ষিণ আফ্রিকারও ২৬২ রেটিং। ভগ্নাংশের হিসাবে এগিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকত পাকিস্তান।
সেটা না হলেও সুযোগ আছে বাংলাদেশের। ২-১ ব্যবধানে জিতলে র্যাংকিংয়ে না এগোলেও বাড়বে রেটিং পয়েন্ট। দলটি তখন ৬ রেটিং পয়েন্টে এগিয়ে গেলেও আগের মতো যথারীতি থাকবে নবম স্থানে।
তবে, তখন শ্রীলঙ্কার সঙ্গে পার্থক্যটা অনেকাংশেই ঘুঁচে যাবে বাংলাদেশ দলের। ২৩৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে লঙ্কানরা এখন আছে আটে। সমান রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সাতে আছে আফগানিস্তানও। বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট এখন ২২৭। অন্যদিকে ২২৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে ১০-এ আছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
তবে অন্তত একটি ম্যাচ জিতলে, অর্থাত্ ২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারলেও রেটিং বাড়বে বাংলাদেশের। তখন রেটিং হবে ২২৯। আর পাকিস্তানের কাছে হোয়াইটওয়াশ হলে রেটিং কমবে বাংলাদেশের। তখন তাদের রেটিং হবে ২২৫।
আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাংকিংয়ে ২৭০ রেটিং নিয়ে বর্তমানে শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তান। ২৬৯ রেটিং নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া। তাই পাকিস্তানের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার রেটিং ব্যবধান মাত্র ১। এই সিরিজে অন্তত একটা ম্যাচে হেরে গেলেই শীর্ষস্থান হারিয়ে ফেলবে বাবর আজমের দল।
অপর দিকে, শীর্ষস্থান ধরে রাখতে হলে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করা ছাড়া কোনো উপায় নেই পাকিস্তানের। ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতলে ২৭১ রেটিং হবে পাকিস্তানের। ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতলেও শীর্ষস্থান হারাবে পাকিস্তান। ২৬৮ রেটিং নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে নেমে যাবে পাকিস্তান। ২৬৯ রেটিং নিয়ে শীর্ষে উঠবে অস্ট্রেলিয়া।
২-১ ব্যবধানে সিরিজ হারলেও ভগ্নাংশের হিসাবে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় স্থানে থাকবে পাকিস্তান। তবে ইংল্যান্ডের সঙ্গে তাদের রেটিং হবে ২৬৫।