গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ছাদ ও দেওয়াল থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে। সামান্য বৃষ্টি হলেই ছাদ চুয়ে পড়ছে পানি। ফলে দুর্ভোগে পড়েছেন চিকিত্সা নিতে আসা রোগীরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, পলেস্তারা খসে পড়ায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চিকিত্সক, নার্স ও রোগীরা। চিকিত্সা নিতে আসা রোগী আব্দুল হামিদ জানান, হাসপাতালের অবকাঠামো এতই দুর্বল যে গত ১৬ জানুয়ারি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নিজ কার্যালয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মজিদুল ইসলাম দায়িত্ব পালন করার সময় ছাদের একটি অংশ ধসে পড়ে।
প্রসূতি মা ববি রানি বলেন, হাসপাতালের দুরবস্থায় আমার বাচ্চা নিয়ে আতঙ্কে আছি। টাকাপয়সা থাকলে ঝুঁকি নিয়ে এই হাসপাতালে চিকিত্সা নিতে আসতাম না। হাসপাতালের নার্স বিউটি বলেন, মাঝেমধ্যেই হাসপাতালের ছাদ ধসে পড়ে। চাকরি করি তাই বাধ্য হয়ে যে কোনো সময় বড়ো দুর্ঘটনার আশঙ্কা নিয়ে দায়িত্ব পালন করছি। গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মজিদুল ইসলাম জানান, মাত্র একবছর আগেও প্রায় কোটি টাকার সংস্কার কোনো উপকারেই আসছে না। বর্তমানে হাসপাতালের অবকাঠামো ঝুঁকিপূর্ণ। এ বিষয়ে অবকাঠামোর বর্ণনা, ছবিসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি লেখেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ তদন্ত করে ইতিপূর্বে হাসপাতালটি ১০০ শয্যায় রুপান্তরের ঘোষণা দেন।