শেরপুরে বোরোর শুকনা বীজতলায় আগ্রহী কৃষক

শেরপুর (বগুড়া) সংবাদদাতা

বগুড়ার শেরপুরে বোরো ধানের শুকনা বীজতলা তৈরিতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন কৃষকরা। ঘন কুয়াশা ও শীতজনিত রোগ থেকে রক্ষা পেতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের শুকনা বীজতলা তৈরির পরামর্শ দিচ্ছেন।  শেরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. সারমিন আক্তার জানান, শীতকালে বোরো বীজতলা নিয়ে কৃষকরা প্রতিবছরই নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হন। এ অবস্থা থেকে রক্ষা পেতে কৃষকদের শুকনা বোরো বীজতলা তৈরির জন্য মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে আগ্রহী করে তোলা হচ্ছে। ফলে প্রতিবছর শেরপুরে শুকনা বীজতলার পরিমাণ বাড়ছে।

উপজেলার গাড়িদহ ইউনিয়নের রানীনগর গ্রামের কৃষক মো.ইকবাল হোসেন জানান, তিনি ১৫ শতাংশ জমিতে শুকনা বীজতলা তৈরি করেছেন। পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়ার কারণে শীতজনিত কোনো রোগের আক্রমণ নেই। এছাড়া ২০-২২ দিনের মধ্যেই বীজতলা থেকে চারা রোপণ করা যায়। এতে খরচও কম হয়। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম জানান, এ পদ্ধতিতে বীজতলা তৈরি করলে কোল্ড ইনজুরি থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। তুলনামূলক ফলনও ভালো হয়। ব্যতিক্রমী এই শুকনা বীজতলা পরিদর্শনে এসে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়া অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আ ক ম শাহরিয়ার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বগুড়ার উপপরিচালক মো. আবুল কাশেম আযাদ ও কৃষিবিদ মো. কামালউদ্দিন তালুকদার।