ইত্তেফাক রিপোর্ট
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ এমপি বলেছেন, গান্ধীর জন্মশতবার্ষিকী দলমত নির্বিশেষে পালিত হয়। কিন্তু জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদত্ বার্ষিকীতে বিএনপি কেক কাটে। জাতি এদের কখনো ক্ষমা করবে না। গতকাল নবকুমার ইনস্টিটিউশন ও ড. শহীদুল্লাহ কলেজের মেধাবী ছাত্র ৬৯’র গণঅভ্যত্থানে শহিদ মতিউর রহমান মল্লিক-এর ৫১তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন। তোফায়েল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছেন। আর শেখ হাসিনা দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। অর্থনীতিবিদরা বলেন, বাংলাদেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল।
৬৯ এর গণঅভ্যত্থান না হলে বঙ্গবন্ধুর ফাঁসি হতো উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ৬ দফা দেওয়ার পর বঙ্গবন্ধুকে যখন ফাঁসিকাষ্ঠে ঝুলাবার সমস্ত পরিকল্পনা আইয়ুব খান গ্রহণ করেছিল, তখনই এই আন্দোলন আমরা করেছিলাম। আসাদ, মতিউর, মকবুল, রুস্তম, আলমগীরসহ অনেক শহিদের রক্তের বিনিময়ে এই গণঅভ্যুত্থান হয়েছিল। তিনি বলেন, শহিদরা ইতিহাসের মহানায়ক। তাদের স্মৃতিকে আমরা ম্লান হতে দিতে পারি না। আমার সৌভাগ্য সেদিন আমি ডাকসুর ভিপি ছিলাম। ডাকসুর ভিপির কক্ষে বসেই আমরা গণ-আন্দোলনের পরিকল্পনা গ্রহণ করি।
সভাপতির বক্তব্যে নবকুমার ইনস্টিটিউশন ও ড. শহীদুল্লাহ কলেজের গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি বলেন, একাত্তরের ঘাতকরা এখনো ষড়যন্ত্র করছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন নবকুমার ইনস্টিটিউশন ও ড. শহীদুল্লাহ কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আবদুল মান্নান ভুঁইয়া (অব.), ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে বিভিন্ সংগঠন শহিদ মতিউর রহমান মল্লিক-এর স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে।