ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ওয়ার্ড ২৯

জলাবদ্ধতার নিরসন চান এলাকাবাসী

নিলয় মামুন

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা নিয়ে গঠিত ২৯ নম্বর ওয়ার্ড। এই এলাকায় প্রায় ২ লাখ মানুষের বসবাস। এখানে মোট ভোটার সংখ্যা ৩৮ হাজার ৯৮১ জন। পুরুষ ভোটার ২০ হাজার ২৪১ জন। নারী ভোটার ১৮ হাজার ৭৩৯ জন। এই ওয়ার্ডের আয়তন শূন্য দশমিক ৭১২ বর্গ কিলোমিটার। মোহাম্মদপুর ব্লক-এফ, মোহাম্মদপুর ব্লক-সি, জহুরী মহল্লা নিয়ে গঠিত এই ওয়ার্ডটি। জলাবদ্ধতা, মাদকের সমস্যা রয়েছে এখানে। এই এলাকার বাসিন্দা আবুল কালাম জানান, সেখানে প্রায়ই জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। যারা এলাকায় কাজ করবেন আমরা তাদেরই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করব। এবার এই ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগ থেকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে বর্তমান কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য নুরুল ইসলাম রতনকে। তিনি ঠেলাগাড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে লড়ছেন। দল সমর্থিত প্রার্থী ছাড়াও বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে আওয়ামী লীগের। এর মধ্যে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি সলিম উল্লাহ্ সলু ঘুড়ি প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। অন্য প্রার্থীরা হলেন মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক সামিউল আলিম চৌধুরী (ঝুড়ি প্রতীক), থানা শ্রমিক লীগের নেতা নুর মোহাম্মদ (লাটিম প্রতীক) এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা এম নুরুল ইসলাম (রেডিও প্রতীক)। নুরুল ইসলাম বলেন, আমার এলাকায় জলাবদ্ধতাসহ কিছু সমস্যা রয়েছে। আমি নির্বাচিত হলে এই সব সমস্যা সমাধানের জন্য উদ্যোগ নেব। তবে বেশির ভাগ কাজই করা হয়েছে। আর কৃষি মার্কেট ভেঙে আধুনিকায়ন করে সেখানে কৃষি পণ্যের পাইকারি বহুতল বাজার নির্মাণ করব। এছাড়া দুইটি রাস্তা করতে চাই। চলমান কাজগুলোও সম্পন্ন করতে চাই।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সলিম উল্লাহ বলেন, রাজনীতির সঙ্গে জড়িত থাকার সুবাদে অনেক আগে থেকেই ওয়ার্ডবাসীর বিভিন্ন সমস্যায় পাশে থেকেছেন তিনি। তাই এলাকাবাসী তাকে নির্বাচিত করলে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে তিনি এলাকার জনগণের সেবা করতে চান। আরেক প্রার্থী এম নুরুল ইসলাম বলেন, মাদকের কারণে ঐ ওয়ার্ডের পরবর্তী প্রজন্মকে নিয়ে আমরা সবাই আতঙ্কিত। তাই মাদকের বিরুদ্ধেই আমার প্রথম যুদ্ধ। জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দিতে অ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু করতে চাই। এই এলাকায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হলেন লিটন মাহমুদ। তিনি মোহাম্মদপুর থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক। তার নির্বাচনি প্রতীক টিফিন ক্যারিয়ার। লিটন মাহমুদ বলেন, মাদকই মূল সমস্যা এখানে। জনগণ যদি আমাকে নির্বাচিত করে তাহলে এই ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এছাড়া এই ওয়ার্ডের কিছু এলাকায় মারাত্মক জলাবদ্ধতা হয়। পানি ও পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করে জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান করতে চাই।