সাংবাদিকদের হুমকি দিয়ে আবারও আলোচনায় সেই কুদ্দুস

রাজশাহীর বাঘায় উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারপিট এবং পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার বাঘা প্রতিনিধিকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন একাধিকবার দল পরিবর্তন করা নেতা আব্দুল কুদ্দুস সরকার। এ ঘটনায়  শুক্রবার রাতে বাঘা উপজেলা সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে  থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, ধর্ষণ, মারপিট ও হুমকি দেওয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
 
অভিযোগে জানা গেছে, গত ১৯ জানুয়ারি নিম্নমানের ইট দিয়ে রাস্তার কাজ করতে বারণ করায় উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদ আহাম্মেদকে অফিসে এসে মারপিট করেন তার বড় ছেলে সেলিম সরকার। এর আগে সেলিম বাঘা পৌরসভার হিসাব রক্ষক হাচান আলীকে মারপিট করেন। আর এ খবর বিভিন্ন  জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ হলে দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক কালের  কণ্ঠের সাংবাদিক যথাক্রমে নুরুজ্জামান ও লালন উদ্দিনকে মোবাইল ফোনে হুমকি দেন আব্দুল কুদ্দুস সরকার। 

আরও পড়ুন: নির্মাণের ৫ বছর পরও অব্যবহৃত মহিলা মার্কেট

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আব্দুল কুদ্দুস সরকার বলেন, ছেলের সঙ্গে প্রকৌশলীর ঘটনাটি অনাকাঙ্খিত। রাজনীতি করার কারণে প্রতিপক্ষরা আমার নামে নানা কথা বলতে পারে।  তিনি সাংবাদিকদের হুমকি দেওয়ার ঘটনা সঠিক নয় বলেও দাবি করেন।

বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ নজরুল ইসলাম জানান, নারীকে বিবস্ত্র ও ধর্ষণ মামলাসহ বিভিন্ন অভিযোগে আব্দুল কুদ্দুস সরকারের নামে বেশ কয়েকটি মামলা এবং একাধিক জিডি রয়েছে। সম্প্রতি বাউসা এলাকায় ভেকু দিয়ে রাস্তার গাছ উপড়ে ফেলার বিষয়ে তার নামে একটি মামলা এবং বাঘা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান ও  অর্থ সম্পাদক লালন উদ্দিনকে হুমকি দেওয়ায় তার নামে জিডি করা হয়েছে। এছাড়াও উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে মারপিট করার অভিযোগে তার বড় ছেলের নামে পৃথক একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। এরপর থেকে পলাতক রয়েছেন তার ছেলে সেলিম সরকার। 

ইত্তেফাক/এসি