ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় বাহারি কার্পেটে মুগ্ধ ক্রেতা-দর্শনার্থীরা। বিশেষ করে ইরানি, তুর্কি ও কাশ্মীরি কার্পেটের প্রতি বাড়তি আগ্রহ দেখাচ্ছেন তারা। গতকাল মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, দৃষ্টিনন্দন তুর্কি ও ইরানি কার্পেটের প্যাভিলিয়নে ক্রেতাদের ভিড়। বিক্রেতারা ক্রেতা-দর্শনার্থীদের একটার পর একটা কার্পেট উলটে-পালটে দেখাচ্ছেন। বিভিন্ন রকম কার্পেটের মধ্যে ক্রেতাদের নিকট পশমি কার্পেটের চাহিদা বেশি। তারা কার্পেট ও কার্পেটজাত পণ্য দেখে, মান যাচাই করে বিভিন্ন অফারে কিনছেন পছন্দসই কার্পেট।
১৭ নম্বর বিদেশি প্যাভিলিয়নে ইস্তানবুল কার্পেট হাউজে ১৫০ টাকায় পাপোশ থেকে শুরু করে ২ লাখ পর্যন্ত মূল্যের কার্পেট বিক্রি হচ্ছে। প্রতিটি কার্পেটে থাকছে ১০-১৫ শতাংশ মূল্যছাড়। ৫ ফুট বাই ৭ ফুট সিল্কের কার্পেট ১০ হাজার ৫০০ টাকা, হ্যান্ড মেইড ৫ ফুট বাই ৮ ফুট কার্পেট ৭২ হাজার টাকা এবং ৫.৫ ফুট বাই ৬.৫ ফুট কার্পেট ৪৭ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৫ নম্বর প্যাভিলিয়নে ভারতীয় ছোটো-বড়ো নানা রঙের কার্পেট ২০ শতাংশ মূল্যছাড়ে ৫ হাজার ৬০০ টাকা থেকে ২০-৩০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। হাতের নাগালের দামেই শেখ কার্পেট এবং সিল্কি কার্পেট পাওয়া যাচ্ছে এখানে। বিদেশি ৭ নম্বর প্যাভিলিয়নে রয়েছে বাহারি ডিজাইনের ইরানি কার্পেট। ২০ শতাংশ মূল্যছাড়ে বড়ো কার্পেট বিক্রি হচ্ছে ৫৫ হাজার টাকায় এবং মাঝারি কার্পেট বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ হাজার টাকায়।
ইস্তামবুল কার্পেট হাউজের রুবেল নামের এক বিক্রেতা বলেন, ‘তুর্কি ঐতিহ্য, শিল্প ও সংস্কৃতির নিদর্শনগুলোর মধ্যে কার্পেট অন্যতম। এর ইতিহাসও অনেক পুরোনো। প্রতিবছরই বাণিজ্য মেলায় কার্পেটের অনেক চাহিদা থাকে। বেচাকেনাও হয় ভালো। তুর্কি কার্পেট অনেক মডার্ন, নকশাগুলোও নজরকাড়া। দেশীয় বাজারে এসব কার্পেট পাওয়া যাবে না। তবে কিছু অনলাইন শপ থেকে আসল তুর্কি কার্পেট কিনতে পারবেন গ্রাহকরা।’ ক্রেতারা বলেন, ‘সচরাচর এসব কার্পেট পাওয়া যায় না। তাই বাণিজ্য মেলার অপেক্ষা করতে হয়। বিদেশি কার্পেটের মান খুবই ভালো। তবে বেশ দরদাম করে কিনতে হচ্ছে।