রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সম্মান চাই

যদি প্রশ্ন করা হয়—বাংলাদেশের অর্থনীতি সচল রাখতে সবচেয়ে বড়ো অবদান কাদের? এক কথায় উত্তর আসবে রেমিট্যান্স যোদ্ধারা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা প্রবাসীদের রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে তুলছে। অথচ সেই চরম দুর্ভাগা প্রবাসীদের বিদেশ যাওয়া এবং ফেরত আসার সময় কতিপয় কর্মকর্তার হাতে নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। বিমানবন্দরে যে অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হই, তা এককথায় খুবই তিক্ত, অসম্মানজনক সর্বোপরি অমানবিক। বিদেশে থাকা শ্রমিকরা প্রতিবছর প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার পাঠায়। প্রতিবছর এর পরিমাণ বাড়ছে। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী হয়রানির অভিযোগ নতুন নয়। বিভিন্ন সময় অনেক প্রবাসী মিডিয়ার কাছেও এ সম্পর্কিত নানা কথা জানিয়েছেন। বিশ্বের ব্যস্ততম বিমানবন্দরগুলোতে যেভাবে বিপুল সংখ্যক যাত্রীকে সেবা দেওয়া হয়, এখানেও সেরকম আধুনিক ব্যবস্থা করতে হবে। মনে রাখতে হবে—বিমানবন্দরের শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ও গতিশীলতা নিশ্চিত করা ছাড়া রেমিটেন্স, বিনিয়োগ, পর্যটন ও দেশের ভাবমর্যাদা বৃদ্ধির কোনো উদ্যোগই সফল হবে না। তাই বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি যাত্রীদের জন্য গতিশীল, ঝামেলামুক্ত ও সম্মানজনক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা একান্ত জরুরি। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

জিসান মাহমুদ, কুয়েত