দেয়াল ঘড়িটা একা-একাই তড়পে যাচ্ছে
হূদয়টাকে অন্ধকার গুহার ভেতরে কাত করে শুইয়ে রেখে
শরীরটাকে ঘুমের নদীতে ডুবিয়ে
স্বপ্নের চিত্রকলায় মগ্ন নিকটজনেরা।
পরদিন সূর্যের দ্যাখা মিলবে কি না,
সড়কের দখল নিয়ে মত্ত কুকুরগুলো তা- জানে না;
নৈশকোচের চালক—বড়ো দক্ষ
তবু, গাড়িটা শেষ স্টেশনে পৌঁছবে কি না
জানা নেই তার;
শিশিরভেজা পাতা ও পতত্রিরা
নীরবতার রিহার্সালে লীন
জীবন :গোয়ালে বাঁধা গরু;
মৃত্যুকে জাবর কাটতে কাটতে
প্রতিরাতে সে ঘুমোতে যায়;
তবুও জানালার ফাঁক গলে ঢুকে পড়ে ভোর
বুকের ভেতরে পুড়তে থাকা হাঁপরে ফুঁ দিতে দিতে মনে হয়—
আহা, বুড়ো পৃথিবীটা
এখনও সাঁতার কাটে রূপে! কতো যে মোহময়!