প্রকৃত কৃষকের ধান কিনতে ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার খাদ্য গুদামে ধান (বিক্রেতা চক্র) ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাথায় হাত। কতিপয় প্রভাবশালী কর্মীরা সিন্ডিকেট করে প্রকৃত চাষিদের ধান বিক্রয় করতে বাধা দিচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে গুদামে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার গুদাম চত্বরে  র‌্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকতে দেখা যায়। গাংনীতে চলতি মৌসুমে আভ্যন্তরীণ আমন ধান ক্রয়ের ধান চাষিদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয়। পরে সুষ্ঠুভাবে সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে ধান ক্রয় চলে। জানা যায়, এ পর্যন্ত  ৮শ’ ৭৫ মে. টন ধান ক্রয় করা হয়েছে। 

অনেক ধান চাষি অভিযোগ করে বলেন, গুদামে প্রকৃত ধান চাষিদের সংখ্যা হাতে গোনা কয়েকজন। বেশীর ভাগ কার্ড সংগ্রহকারী রাজনৈতিক দলের নেতা ও অসাধু ব্যবসায়ী।

উপজেলা ওসিএলএসডি মতিয়ার রহমান জানান, আমরা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ধান ক্রয় করছি। তবে এখন থেকে প্রকৃত ধান চাষিদের সরেজমিনে না পেলে তাদের ধান ক্রয় করবো না।

দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাহমুদুল হাসান জানান, সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক প্রকৃত চাষিদের নিকট থেকে ধান ক্রয় করা হবে। এতে কোন অনিয়ম হতে দেওয়া হবে না। আগামী দিনগুলোতে প্রতিদিন প্রশাসনিক নজর দারি থাকবে। র‌্যাব ও পুলিশ সদস্যরা টহল দেবেন। 

আরও পড়ুন: অবসরে গেলেও রেশন পাবেন পুলিশ সদস্যরা

উপজেলা নির্বাহী অফিসার দিলারা রহমান জানান, আমরা সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক ফেয়ার লটারির মাধ্যমে ধান ক্রয় করার চেষ্টা করছি। প্রকৃত চাষিরা ধান বিক্রয় করবে আমরা সেটাই চাই। অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। 

  
ইত্তেফাক/আরআই