ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে বিড়ম্বনায় বয়স্ক ও শ্রমজীবী ভোটাররা

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করতে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়ছেন বয়স্ক ও শ্রমজীবী ভোটাররা। ইভিএম মেশিনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলা, মেশিন বন্ধ হয়ে যাওয়াসহ বেশ কিছু সমস্যা পড়ছেন তারা। এদিকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার ফিঙ্গারপ্রিন্টও মেলেনি মেশিনে।

বেশ কিছু বুথে গিয়ে দেখা যায়, এসব বুথে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারের জন্য সংরক্ষিত ১ শতাংশ ভোটও শেষ হয়েছে। ফলে অনেককেই ফিরে যেতে হচ্ছে ভোট না দিয়ে।

ফিঙ্গারপ্রিন্ট না মেলার কারণ কি এমন প্রশ্নে এক সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তা বলেন, অনেক ক্ষেত্র দেখা যায়, ভারী কাজ করা এবং বয়স্কদের আঙ্গুলের ছাপ মুছে যায়। ফলে তাদের ছাপ মেশিন নিতে পারে না।

মহানগর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভোটার শফিকুল ইসলাম বলেন, আমার সবকিছু ঠিক আছে কিন্তু আমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিচ্ছে না। এর কারণে ভোটও দিতে পারছি না। সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বলেছেন, তাদের কিছু করার নেই। ভোট না দিয়েই ফিরে যেতে হবে।

যান্ত্রিক ত্রুটির বিষয়ে ইসির পক্ষ থেকেও নেই কোন দিক নির্দেশনা। এ বিষয়ে মহানগর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রিজাইডিং অফিসার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন, কারও আঙ্গুলের ছাপ না মিললে সহকারী প্রিজাইডিং অফিসারদের ১ শতাংশ ভোট দেয়ার সক্ষমতা রয়েছে। এ কোটা পূর্ণ হয়ে গেলে আমাদের কিছু করার নেই।

উত্তরা ৫ নম্বর সেক্টরের আইইএস স্কুল ও কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিতে আসেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা। তবে ইভিএম (ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন) মেশিনে তার ফিঙ্গার প্রিন্ট মেলেনি। পরবর্তী সময়ে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর দিয়ে তিনি ভোট দিয়েছেন।

শনিবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে সিইসি ভোট দিতে আসেন। কলেজ ভবনের দোতালায় ৮ নম্বর বুথে তিনি ভোট দিতে যান। ইভিএম মেশিনে তার দুই হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলি স্ক্যান করা হয়। তবে কোনটিই ম্যাচ করেনি। এরপর দ্রুত কর্মকর্তারা তার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। এরপর তিনি ভোট দিয়ে চলে যান।

ইত্তেফাক/আরএ