বাঁশের অপর নাম-ব্যাম্বো!

 

/ রুবেল কান্তি নাথ

v বইয়ের প্রচারণা করলে লেখকের ব্যক্তিত্ব থাকে না।

—আপনে তো বড়ই ব্যক্তিত্বওয়ালা লোক। তাইলে লেখকের হয়ে প্রচারটা আপনেই কইরা দেন।

 

v লেখকের চামড়া হইতে হয় গন্ডারের মতো।

—লেখক তো মানুষ, আপনের মতো গন্ডার না!

 

v সমালোচনা করলেই লেখকরা তেলে-বেগুনে জ্বলে ওঠেন।

—সমালোচনার নামে ব্যক্তি আক্রমণ করলে জ্বলে না উঠে জ্বালিয়ে দেওয়া উচিত।

 

v আপনের বইটা ভালা না। কারণ বইটা আমি পড়ি নাই।

—আপনেই হইলেন আসল সমালোচক। আসেন, চা খাবেন? ঢেলে দিই?

 

v লেখকের ভক্ত হওয়া যাবে না।

—হ, আপনের মুরিদ হইলেই হইল।

 

v ওই লেখকের বয়স কম, লেখা আর কেমনে ভালো হবে।

—আপনের মতোই সমা-লুচক খুঁজছে বাংলাদেশ। ওরে কেউ ওর মুখে কেউ নোবেল ছুড়ে মার।

 

 

v অমুক লেখকের বই বাইর না হইতেই তিন এডিশন শেষ!

—ইউ হ্যাভ টু বুঝতে হবে। টুট্ টুট্ টুট্...

 

v আমি শুধু বইমেলা এলেই বইয়ের প্রচার করি।

—মৌসুমি লেখক বলে কথা।

 

v আপনের বইয়ের প্রচারণা অন্য কেউ করে না ক্যান?

—অন্য কাউরে তেল মারার সময় নাই তাই।

 

v কী সব হাবিজাবি লেখেন। জলদি ক্ষেমা দেন।

—আমি ক্ষেমা দিলেই তো আপনে শুরু করবেন।

 

v বড়ো বড়ো বইয়ের গ্রুপে বইয়ের যে লিস্ট করা হয়, সেখানে আপনেগো বইয়ের নাম থাকে না কেন?

—বড়ো বড়ো গ্রুপের লিস্টে ছোট ছোট বইয়ের খবর না থাকাটাই স্বাভাবিক।

 

v আপনি এভাবে ডাইরেক্টলি লেখেন কীভাবে?

—কারণ লেখালেখি নিয়ে আমি কারো সাথে আপস করি না।