প্রথম দিনের ব্যাটিং ব্যর্থতার পর রাওলাপিন্ডিতে ঘটে চলা দৃশ্যগুলো অবশ্য বাংলাদেশের খুব অচেনা নয়। দর্শক-শ্রোতারা ইতিমধ্যেই হয়তো অনুমান করে ফেলেছেন কী ঘটতে চলেছে। তবুও ভরসা হয়তো ‘ক্রিকেট’। যেকোন মুহূর্তে কল্যাণ অনর্থ যেকোন কিছুই ঘটতে পারে। তবে ততক্ষণে কী চালকের আসনে বসে গেছে পাকিস্তান? এটুকু দেখতে হয়তো অপেক্ষা করতে হতে পারে মাত্র একটি সেশন।
দ্বিতীয় দিন শেষে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩৪২ রান। এরই মধ্যে স্বাগতিকদের লিড দাঁড়িয়েছে ১০৯ রানের। চতুর্থ উইকেটে ১৩৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়া বাবর ১৪৩ ও আসাদ ৬০ রানে অপরাজিত রয়েছেন। শান মাসুদ আউট হয়েছেন ১০০ রান করে।
পাকিস্তানের ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে এসেই সাফল্য পান আবু জায়েদ রাহী। ওভারের দ্বিতীয় ডেলিভারিতে তিনি ফিরিয়ে দেন দুই টেস্টের ক্যারিয়ারে দুই সেঞ্চুরি করা পাকিস্তানি ওপেনার আবিদ আলিকে।
তবে এর পর আর এমনটি হয়নি। দ্বিতীয় উইকেটে ৯১ রানের বড় জুটি গড়েন আজহার আলি আর হারিস সোহেল। শেষে এই জুটিও ভাঙেন রাহি। ইনিংসের ২৩তম ওভারে টাইগার পেসারের দারুণ এক ডেলিভারিতে ব্যাট চালিয়ে স্লিপে ক্যাচ হন পাকিস্তানি অধিনায়ক আজহার। ৫৯ বলে ৪ বাউন্ডারিতে তিনি করেন ৩৪ রান। ২ উইকেটে ৯৫ রান নিয়ে লাঞ্চ বিরতিতে যায় পাকিস্তান। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি স্বাগতিকদের।
আরও পড়ুন: ধর্ষণের শিকার ৭ম শ্রেণির ছাত্রী, চিকিৎসা নিতে দেয়নি ধর্ষকের পরিবার
শান ফিরলেও চা পানের বিরতি পর্যন্ত নিজের উইকেট বাঁচিয়ে রাখেন বাবর। পরে আর আউটই হননি তিনি। অথচ ব্যক্তিগত মাত্র ৩ রানের সময় লংঅফে ক্যাচ দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেটি ফেলে দেন এবাদত। জীবন পেয়ে চা পানের বিরতির আগেই বাবর তুলে নেন ক্যারিয়ারের ১৪তম হাফসেঞ্চুরি। যেটিকে রূপ দেন পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরিতে।
দিন শেষে বাবর ছাড়িয়ে গেছেন তার আগের ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ১২৭ রানের সংগ্রহকে। পঞ্চম সেঞ্চুরি করা বাবর এখন অপরাজিত রয়েছেন ১৪৩ রানে। আর ত্রয়োদশ সেঞ্চুরির অপেক্ষায় থাকা আসাদের সংগ্রহ ৬০ রান।
ইত্তেফাক/এসি