বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপের মশাল যাত্রা শুরু

ধানমন্ডির রাসেল স্কয়ার থেকে শুরু হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২০’ এর মশাল যাত্রা। মশাল যাত্রার উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল। রাসেল স্কয়ার থেকে শুরু হওয়া এই মশাল যাত্রা সারাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় পরিভ্রমণ করে সমাপনী দিনে ঢাকায় এসে শেষ হবে। 

জাতির পিতার আদর্শ ও চেতনায় জাতি গঠনে আগামীর তারুণ্যের প্রাণশক্তি ও উদ্দীপনাকে সমুন্নত রাখার প্রত্যয়ে ১ মার্চ থেকে শুরু হয়ে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২০। সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং স্পেলবাউন্ড লিও বার্নেট-এর প্রস্তাবনায় দ্বিতীয়বারের মত সারাদেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মিলিত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই প্রতিযোগিতা। 

মশাল যাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেন, 'জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ও চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া তরুণসমাজকে সোনার মানুষ হয়ে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে উদ্দীপ্ত করা, ক্রীড়া প্রতিভার সন্ধান ও বিকাশ, যোগ্য নেতৃত্ব তৈরি, ক্রীড়াক্ষেত্রে এসডিজি লক্ষ্য অর্জন, সর্বোপরি সচেতন ও সক্রিয় দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই হবে ‘বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২০’ এর মশাল যাত্রা’র লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।' 

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কাজী শহীদুল্লাহ বলেন, 'দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে এক মঞ্চে এনে পারস্পরিক সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধের নতুন দিগন্ত উন্মোচন ও জাতি গঠনে হাতে হাত রেখে কাজ করার সুযোগ তৈরি করাই ‘বঙ্গবন্ধু আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২০’ মশাল যাত্রার মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।'

টুর্নামেন্টের সাংগঠনিক কমিটির সম্মানিত সহ-সভাপতি নাহিম রাজ্জাক বলেন, 'তরণরাই হচ্ছে আগামী দিনের জাতির কর্ণধার। সৎ, আদর্শবান, কর্মক্ষম ও নিষ্ঠাবান তরুণরাই পারে জাতিকে অভিষ্ঠ লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে। সেই লক্ষ্য অর্জনে তরুণদের প্রস্তুত করে তোলাই এই মশাল যাত্রার লক্ষ্য।”

এই বছরের আয়োজনে ফুটবল, ক্রিকেট, সুইমিং, অ্যাথলেটিকস, টেবিল টেনিস, বাস্কেটবল, ভলিবল, হ্যান্ডবল, সাইক্লিং, দাবা, কাবাডি ও ব্যাডমিন্টনসহ ১২টি ইভেন্টের সমন্বয়ে দ্বিতীয় আসরে দেশের শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় পাঁচ হাজার আটশ শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। সারাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 

ইত্তেফাক/জেডএইচডি