/ ব্রত রায়
যেমন কিউট প্রজন্ম তার
তেমন কিউট ভাষা
ত্যাগ করেছি কবেই এদের
ভাষা বোঝার আশা।
এ্যাডজেক্টিভ দুটোই জানে
অসাম এবং জোশ
এদের না তো—সম্ভবত
এটাই যুগের দোষ!
শুদ্ধ করে বাংলা বলা,
শুদ্ধ করে লেখা?
পারেই না তো ক্যাম্নে করে!
নেই তো কারোর শেখা।
ইংরেজিতে বাংলা লেখে
ইংরেজিতেই বলে
ফেব্রুয়ারির একুশ বোধহয়
পুরোই গেল জলে!
অভ্র আছে। ইন্সটলে
দুইটা মিনিট লাগে
করতে সেটা মানুষ হওয়া
লাগে সবার আগে।
হায় রে কপাল... ‘ভাল্লো’ বলে
বলতে গিয়ে ‘ভালো’
ইচ্ছা করে ধমক মারি,
দেই ফাটিয়ে গালও!
ন আর র-এর উচ্চারণে
ব্যাপক গলদ আছে
ইচ্ছা করেই এ ঢঙ করে—
প্রমাণ আমার কাছে।
কথায় কথায় ‘সো’ ‘সো’ করে
কথায় কথায় ‘ইয়া’
বলতে পারেন যাই কোথা এই
বাংলিশদের নিয়া?
কারা এদের শিক্ষাগুরু?
দুই পয়সার মডেল!
নাই প্রতিভা... ঢঙ্গিপনায়
দক্ষতা যে অঢেল!
ঢং ছেড়ে দিন ভাইয়া, আপু,
দাদা এবং দিদি
না পারলে কী করার আছে?
দেখান মনোবিদই!