তাপস পালের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্ষীয়ান অভিনেতার মৃত্যুর পর শোকবার্তা প্রকাশ করা হয় মুখ্যমন্ত্রীর ট্যুইটার হ্যান্ডেলে। তাপস পালের মৃত্যুতে তিনি শোকাহত। বাংলা সিনেমার একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র তথা তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ এবং বিধায়কের মৃত্যুতে তার পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি প্রায়ত অভিনেতার স্ত্রী নন্দিনী পাল এবং মেয়ে সোহিনী পালকেও সমবেদনা জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
চিকিতসার জন্য গত ২৮ জানুয়ারি মুম্বইতে নিয়ে যাওয়া হয় তাপস পালকে। সেখানে একটি বেসরকারি হাসাপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। মুম্বইয়ের ওই বেসরকারি হাসপাতালে ভেন্টিলেশনে রেখে চলছিল অভিনেতার চিকিতসা। সাড়াও দিচ্ছিলেন তিনি। এরপর মুম্বাই থেকে তাপস পালকে আমেরিকায় নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করে তাঁর পরিবার। কিন্তু চিকিতসার জন্য মার্কিন মুলুকে উড়ে যাওয়ার আগেই শেষ হয়ে যায় তাপস পালের পথ চলা।
১৯৫৮ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর হুগলির চন্দননগরে জন্ম তাপস পালের। ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ। কলেজে পড়াকালীন নজরে পড়েন পরিচালক তরুণ মজুমদারের। ২২ বছর বয়সে মুক্তি পায় প্রথম ছবি ‘দাদার কীর্তি’। এরপর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাপস পালকে। একের পর এক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন দর্শকদের।
উল্লেখযোগ্য ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে ‘সাহেব’, ‘অনুরাগের ছোঁয়া’, ‘পারাবত প্রিয়া’, ‘ভালোবাসা ভালোবাসা’। ‘সাহেব’ ছবির জন্য পান ফিল্ম ফেয়ার পুরস্কার। বাংলার পাশাপাশি তাপস পাল অভিনয় করেছেন হিন্দি ছবিতেও। মাধুরী দীক্ষিতের বিপরীতে অভিনয় করেন ‘অবোধ’ ছবিতে।
অভিনয়ের পাশাপাশি ২০০৯ সালের ভারতীয় সাধারণ নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে টিকিট নিয়ে নির্বাচিত হয়ে কৃষ্ণনগর থেকে এমপি হন তিনি। তবে ২০১৬ সালের শেষের দিকে রোজ ভ্যালি নামে একটি চিট ফান্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।
Saddened & shocked to hear about the demise of Tapas Paul. He was a superstar of Bengali cinema who was a member of the Trinamool family.Tapas served the people as a two-term MP and MLA. We will miss him dearly. My condolences to his wife Nandini, daughter Sohini & his many fans
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) February 18, 2020
ইত্তেফাক/বিএএফ