কাপ্তাইয়ে নৌকাডুবি: রাঙ্গুনিয়ায় ভেসে এসেছে মা-ছেলের লাশ

রাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে চন্দ্রঘোনা কয়লার ডিপো সংলগ্ন কর্ণফুলী নদীতে নৌকাডুবির ঘটনার পাঁচদিনের মাথায় রাঙ্গুনিয়া থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মা টুম্পা মজুমদার ও ছেলে বিজয় মজুমদারের লাশ। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাঙ্গুনিয়ার সরফ ভাটা নদী থেকে মা ও ছেলের লাশ উদ্ধার করা হয়।

গত শুক্রবার রাঙ্গামাটি কাপ্তাইয়ের চন্দ্রঘোনায় কয়লার ডিপু সংলগ্ন কর্ণফুলি নদীতে স্রোতের কারণে চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটকবাহী একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ডূবে যায়। এ সময় নৌকায় আন্তর্জাতিক কৃষ্ণ ভাবনামৃত সংঘের ইসকনের ৫৩ জন সদস্য ছিলেন। তাদের মধ্যে তিন জন নিখোঁজ হন। ওইদিন বিকেল চারটার দিকে দেবলীলা (১০) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও একই পরিবারের মা ও ছেলের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

ঘটনার পাঁচদিনের মাথায় মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ফায়ার সার্ভিস ও কাপ্তাই নৌ-বাহিনীর দলের উদ্ধার তৎপরতায় মা টুম্পা মজুমদার ও ছেলে বিজয় মজুমদারের লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নিহত মা টুম্পা মজুমদার, শিশু পুত্র বিজয় মজুমদার ও কন্যা দেবলীনা দে চট্টগ্রামের হাজারীগলির বাসিন্দা ।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফ আহমেদ রাসেল বলেন, শুক্রবারের নৌকাডুবির ঘটনার প্রথম দিন একজনের লাশ উদ্ধার করা হলেও দুইজন নিখোঁজ ছিলেন। ফায়ার সার্ভিস ও কাপ্তাই নৌ-বাহিনীর দল উদ্ধার তৎপরতা চালানোর পর ৫ দিনের মাথায় মঙ্গলবার রাঙ্গুনিয়া সরফ ভাটা নদী থেকে একই পরিবারের মা টুম্পা মজুমদার ও ছেলে বিজয় মজুমদারের লাশ উদ্ধার করা হয়।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের নন্দন কানন এলাকার রাধামাধব মন্দির থেকে প্রায় ১২৭ জন ইসকন সদস্য কাপ্তাইয়ের শীলছড়ি এলাকার বিভিন্ন মন্দিরে তীর্থ ভ্রমণে আসেন। পরে তারা কর্ণফুলী নদী হয়ে তিনটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় চা-বাগানে যাওয়ার পথে দুইটি নৌকা পাড়ে আসতে পারলেও অপরটি পাড়ে আসার আগেই ডুবে যায়। এ সময় ওই নৌকায় থাকা ৫৩ সদস্যের তিনজন ছাড়া বাকি সবাইকে উদ্ধার করা হয়।

ইত্তেফাক/জেডএইচডি