স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঠালতলী গ্রামের গৃহবধূ হামিদা বেগমকে (৪৫) হত্যার দায়ে করা মামলায় স্বামী বাচ্চুকে (৫৮) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বরগুনা অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত। 

বুধবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বরগুনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ এইচ এম ইসমাইল হোসেন এ রায় দেন।  এ সময় আসামি বাচ্চু আদালতের উপস্থিত ছিলেন।  

মামলার বিবরণের জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে ২০০৮ সালের ২৭ আগস্ট রাতে হামিদার মাথায় লাঠির আঘাত দিয়ে হত্যা করে বাড়ি সংলগ্ন খাল পাড়ে গর্ত করে লাশ মাটি চাপা দিয়ে রাখে বাচ্চু মিয়া।  পরদিন বাচ্চু তার পার্শ্ববর্তী এলাকার শ্বশুর বাড়ি গিয়ে হামিদাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছেনা এমন খবর জানান।  বাচ্চুর কথা ও আচরণে এলাকাবাসীর সন্দেহ হলে তারা ২০০৮ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাচ্চুকে আটক করে চাপ দিলে সে হত্যার কথা স্বীকার করে।  এলাকাবাসী ওই দিনই বাচ্চুকে পুলিশে সোপর্দ করে।  এঘটনায় হামিদার মা জাহানারা বেগম বাদী হয়ে পাথরঘাটা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।  দীর্ঘ ১১ বছর পর আদালত এ মামলায় বাচ্চুকে মৃত্যুদণ্ড দেন।  বাচ্চুর বিরুদ্ধে পিরোজপুর আদালতে আরো একটি হত্যা মামলা বিচারাধীন রয়েছে। 

আরো পড়ুন: শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ ঘুরে দাঁড়িয়েছে : নৌ প্রতিম

মামলাটি রাষ্ট্র পক্ষে পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পিপি আকতারুজ্জামান বাহাদুর আর আসামি পক্ষে অ্যাড. কমল কান্তি দাস। 

অতিরিক্ত পিপি আক্তারুজ্জামান বাহাদুর বলেন, হামিদা হত্যা মামলার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। আসামীর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়ে আদালত ন্যায়ের পক্ষে রায় দিয়েছেন।
আসামী পক্ষের আইনজীবী কমল কান্তি দাস বলেন, আমি আমার মক্কেলের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।

ইত্তেফাক/এএএম