ভিন্ন গল্পের ‘এক মুঠো জোনাকি’ নাটকে জুটি হয়ে অভিনয় করেছেন ছোটপর্দার প্রিয়মুখ ফারিয়া শবনম ও ইরফান সাজ্জাদ। শফিকুর রহমান শান্তনুর রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন দীপু হাজরা। নাটকের গল্পে দেখা যাবে, আবীরের সাথে হূদির পরিচয়টা মজার। একদিন হূদি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল। তখন তাকে লক্ষ্য করে দু’জন ইভটিজার শিষ দেয়। এ সময় সুদর্শন আবীরকে এগিয়ে আসতে দেখে হূদি সাহস পায়। ভাবে, আবীর হয়ত এই দু’জন বখাটেকে শায়েস্তা করবে। কিন্তু আবীর তা না করে আচমকা অট্টহাসিতে মেতে ওঠে। তার হাসি দেখে হূদি যেমন বিব্রত বোধ করে, তেমনি ইভটিজাররা চমকে ওঠে। এমন সময় এক পুলিশ এসে সামনে দাঁড়ালে ইভটিজার দুজন পালিয়ে যায়। পুলিশ আবীরকে ধরে নিয়ে যায় থানায়।
আবীরের বাবা মাসুম সাহেব থানায় এলে পুলিশ জানায়, তার ছেলের নামে গুরুতর অভিযোগ। সে রাস্তায় নিরীহ মেয়েকে ইভটিজিং করেছে। মাসুম সাহেব তখন হূদিকে জিজ্ঞেস করে, তার ছেলে সত্যিই তাকে বিরক্ত করেছে কি-না? হূদি বলে, ‘বিরক্ত না হলেও আবীরের হাসি তাকে বিব্রত করেছে’। মাসুম সাহেব জানান, এটা তার ছেলের অসুখ। একে বলে, সিউডোবুলবার এফেক্ট। এটা খুব বিরল এক ব্যাধি। যার চিকিত্সা অনেকদিন থেকে চললেও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেনি আবীর। এ রোগে আক্রান্তরা হঠাত্ হঠাত্ এমনভাবে হেসে ওঠে বা কেঁদে ফেলে। তখন মনে হয়, তারা সত্যিই হাসছে বা কাঁদছে। আসলে এটা তারা করে অসুখের কারণে। কোনোভাবেই হাসি বা কান্না নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এ কারণে অনেকেই তার ছেলেকে ভুল বোঝে। সব শুনে হূদি পুলিশকে অনুরোধ করে আবীরকে ছাড়ানোর ব্যবস্থা করে। একইসঙ্গে আবীরের সাথে হূদির একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেখান থেকেই প্রেম। তারপর নানা ঘটনা। ‘এক মুঠো জোনাকি’ নাটকটি প্রচার হবে আগামী শনিবার রাত ৮টায় আরটিভিতে।