অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে রাজধানীর আবাসিক হোটেলগুলোতে পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার আবদুল বাতেন।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, সরাইখানা আইনে আছে, আবাসিক হোটেলে প্রতিদিন কারা অবস্থান করবে তাদের তালিকা নিকটস্থ থানায় জমা দিতে হবে। দেশি-বিদেশি যারাই থাক না কেন তাদের নাম ঠিকানাসহ তালিকা জমা দিতে হবে। তবে এত বেশিসংখ্যক আবাসিক হোটেল যে প্রতিনিয়ত সেটি করা হয় না। প্রতিনিয়ত করলে হোটেল কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় সমস্যা হয় এবং পুলিশেরও তদারকিতে অসুবিধা হয়। তাই খুব বেশি তদারকি করা হয় না।
যুবলীগ নেত্রী শামীমা নুর পাপিয়ার কার্যকলাপ নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন থেকে হোটেলগুলোতে যাতে অসামাজিক কার্যকলাপ না হয় এবং হোটেল পরিচালনার যে নীতিমালা রয়েছে সেগুলোর বিষয়ে নজরদারি বাড়ানো হবে। সেখানে যাতে অপরাধমূলক তৎপরতা না ঘটে সে ব্যাপারে সজাগ থাকবে পুলিশ।
পাপিয়ার বিষয়ে ডিবি কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, পাপিয়ার বিরুদ্ধে র্যাব তিনটি মামলা করেছে। ঐসব মামলায় পাপিয়া এখন ১৫ দিনের রিমান্ডে রয়েছে। বুধবার রাতে মামলাগুলো ডিবিতে হস্তান্তর হয়েছে। এখনো জিজ্ঞাসাবাদের সুযোগ হয়নি।
পাপিয়ার সঙ্গে কারা জড়িত, কারা ইন্ধনদাতা, তার অর্থের উৎস কী, এত বেপরোয়ার পেছনে শক্তির উত্স কী—সবই তদন্ত করে দেখা হবে। এমনকি অনৈতিক বিষয় থাকলেও তদন্ত করে দেখা হবে।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, একটি হোটেলে কী ধরনের কার্যকলাপ চলতে পারে, তাদের কী নিয়মকানুন আছে, কারা ভাড়া নিয়ে হোটেলে থাকতে পারবে—তা চেক করে দেখা হবে। এর বাইরে সেখানে কী কী করার নিয়ম আছে তাও দেখা হবে।
পাপিয়ার অবস্থানের বিষয়ে হোটেলের কী দায় আছে তাও দেখা হবে। এছাড়া পাপিয়ার বিষয়ে কোনো ভুক্তভোগী অভিযোগ করলে সেই অভিযোগগুলোও তদন্ত করা হবে বলে জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার।
ইত্তেফাক/জেডএইচ