নিজেকে তিনি বলেন, ‘ঘটনাচক্রে স্থপতি’। হতে চেয়েছিলেন চিত্রশিল্পী। এমনকি ১৯৭৬ সালে মাত্র ১৩ বছর বয়সে ছবি আঁকায় তিনি ‘জওহরলাল নেহেরু স্বর্ণপদক’ লাভ করেন। কিন্তু পরিবারের ইচ্ছায় বুয়েটে ভর্তি হতে হয় তাঁকে। স্থাপত্যের জ্ঞান আর শিল্পীমনের যোগসাজশে রফিক আজম বাংলাদেশের স্থাপত্যশিল্পে বিরাট পরিবর্তন ঘটিয়েছেন। শুধু বাংলাদেশ নয় বিশ্বের নানা দেশে রয়েছে তাঁর দৃষ্টিনন্দন সব স্থাপনা। প্রকৃতির সঙ্গে বিরুদ্ধতা নয়, যেন প্রকৃতির ভেতর থেকেই গড়ে ওঠে এসব স্থাপনা। নিজের ছবি আঁকার ক্ষুধার খানিকটা মেটান ডিজাইনের ড্রয়িং করে।
রফিক আজমের জন্ম ও বেড়ে ওঠা পুরান ঢাকায়, লালবাগে। পরিবারেই ছিল সাংস্কৃতিক আবহ। ফলে, পরিবার থেকেই তিনি শিল্পের শিক্ষাটা পেয়েছেন। নয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ। মায়ের বাগান করার শখ ছিল। ভাইবোনেরা গান করতেন, ছবি আঁকতেন, রাতের বেলায় সবাই মিলে গল্পের আসর বসাতেন। যৌথ জীবনযাপনের শিক্ষাটা তাঁর ছোটবেলার। বিচ্ছিন্নতার এ যুগে সবাই যখন আত্মকেন্দ্রিক জীবনযাপনে ব্যস্ত, রফিক আজমের স্থাপত্যশৈলী, তাঁর নির্মাণ আমাদের যূথবদ্ধতার প্রেরণা জোগায়। প্রথাগত স্থাপত্যের সঙ্গে রফিক আজমের স্থাপত্যের বেশ কিছু অমিল রয়েছে। যেমন, তিনি স্থাপনা থেকে দেয়ালের ধারণা তুলে দিতে চান। নিরাপত্তার বিষয়টি ঠিকই থাকবে, কিন্তু কোনো দেয়াল থাকবে না। মানুষে মানুষে সম্পর্কের ক্ষেত্রে দেয়াল একটি বড় মনোজাগতিক বাধা, তিনি জানালেন। দেয়াল যেন দু’পাশের মানুষের মধ্যে এক বৈরিতা তৈরি করে। এজন্য বসতবাড়ি থেকে দেয়াল উঠিয়ে দিয়েছেন তিনি। পথিকের জন্য বিশ্রামের জায়গা এবং খাবার পানির ব্যবস্থা রাখার চেষ্টা করেন। পথচলা মানুষ যেন দেয়াল দেখে বাড়ির মালিককে অন্য পক্ষ মনে না করে, বিরূপ না হয়, ওই বোধ যেন পথিকের মধ্যে তৈরি না হয়, সেটাই রফিক আজমের চাওয়া।
আহবমান বাংলার বাড়িগুলোর কিছু সাধারণ বৈশিষ্ট্য আছে। রফিক আজম জানালেন, সেসব বৈশিষ্ট্যকে শহুরে বহুতল ভবনে তুলে আনতে চান তিনি। যেমন, আগেকার গ্রামীণ বাড়িগুলোতে একচিলতে উঠোন ছিল, পুকুর ছিল, ছিল ফুল ও সবজির বাগান। জাতি হিসেবে আমরা খুব অতিথিপরায়ণ। মেহমানদের জন্য বৈঠকঘর, বসার জায়গা ইত্যাদি থাকত। তাছাড়া পথিক এলে বিশ্রাম ও জলপানের ব্যবস্থা থাকত আমাদের গ্রামবাংলার বাড়িগুলোতে। বাতাসের প্রবাহ যাতে ঠিকঠাক পাওয়া যায়, এজন্য বাড়িগুলোর ডিজাইন সেভাবে করা হতো। তাছাড়া আলোর বিষয়টাও প্রাধান্য পেত তখনকার বাড়িগুলোতে। শহরে এখন বাড়ির জন্য অত জায়গা পাওয়া সম্ভব না। কেননা আমাদের শহরগুলো গড়ে উঠেছে পরিকল্পনাহীনতার মধ্য দিয়ে। উঠোন-পুকুরওয়ালা বাড়ির জায়গায় তরতর করে উঠে যাচ্ছে বহুতল ভবন। কিন্তু রফিক আজম জানালেন, ওই ভবনেই আমাদের পুরনো সেই গ্রামের বাড়ির আবহ তৈরি করা সম্ভব। তাঁর নির্মিত বহুতল ভবনগুলোতে তিনি তুলে এনেছেন আমাদের পুরনো ঐতিহ্যকে। স্থপতি হিসেবে রফিক আজমের যাত্রা শুরু হয় বুয়েটে তিনি যখন তৃতীয় বর্ষে পড়েন, তখন। তাঁদের নিজেদের বাড়ির ডিজাইন করতে দেওয়া হয়েছিল অন্য একজন স্থপতিকে। কিন্তু সেই স্থপতির ডিজাইন পছন্দ হয়নি রফিক আজমের মায়ের। তখন দায়িত্ব নেন রফিক আজম। ১৯৮৭ সালে নির্মিত বাড়িটিই সম্ভবত প্রথম বাড়ি যার দোতলায় বাগান আছে। মায়ের শখ ছিল বাগানের। রফিক আজম সেদিকে খেয়াল রেখে বাড়িটি সেভাবে ডিজাইন করেন। বাড়ির উঠোনে যেমন বসার জায়গা থাকে তেমনই খোলা জায়গা রেখেছেন দোতলায়। অর্থাত্, মায়ের ইচ্ছাপূরণের জন্য প্রথম বাড়ির ডিজাইন করেন রফিক আজম।
সবুজ স্থাপত্যের স্বপ্ন নিয়ে রফিক আজম নিজের প্রতিষ্ঠান ‘সাতত্য’ গড়ে তুলেছেন ১৯৯৫ সালে। সাতত্য অর্থ প্রবহমানতা। তাঁর প্রতিষ্ঠানের অন্যতম লক্ষ্য হলো প্রকৃতি ও মানুষের মধ্যে আত্মিক সংযোগ স্থাপন করা। সাতত্যের লক্ষ্য উদ্দেশ্য নিয়ে রফিক আজম বলেন, ‘বাংলাদেশের স্থাপত্যের এক সমৃদ্ধ অতীত রয়েছে। একদম শুরু থেকে আমাদের হিন্দু ও বৌদ্ধ সংস্কৃতির প্রচুর দৃষ্টিনন্দন মন্দির ছিল। স্থাপত্য হিসেবে এগুলো খুব উঁচুমানের। এরপর প্রাক মোগল আমল থেকে ব্রিটিশ আমল, পাকিস্তান আমল হয়ে স্বাধীনতার আগে পর্যন্ত আমাদের স্থাপত্যশিল্প দারুণ উন্নত। এসব স্থাপত্যে প্রতিটি সময়কে সফলভাবে ধরা রয়েছে। ১৯৫০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ৬০-এর দশকের শেষ পর্যন্ত আধুনিক স্থাপত্য বিকশিত হয়েছে আমাদের এখানে। তখন আমাদের এখানে মাজহারুল ইসলাম, লুই আই কান, পল রুডলফ, কন্সটানটিনো ডজিডাসের মতো স্থপতিরা কাজ করেছেন। এরপর দুঃখজনকভাবে এই অগ্রযাত্রাটি থেমে যায়। সদ্য স্বাধীন হওয়া দেশে শুরু হয় রাজনৈতিক অস্থিরতা। বিশ্বের অন্যান্য দরিদ্র দেশের মতো জলবায়ু, সংস্কৃতি ও ইতিহাসের বিষয় আমলে না নিয়ে গড়ে উঠতে থাকে একের পর এক অপরিকল্পিত স্থপনা। এরকম একটা পরিপ্রেক্ষিতে স্থাপত্যশিল্পে আমাদের ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে ও এটিকে কিছুটা সুশৃঙ্খল রূপ দিতেই সাতত্য যাত্রা শুরু করে।’
রফিক আজম যে সবুজের চর্চা করতে চান, তার জন্য শৌখিন নার্সারিতে যেতে হয় না। বাড়ির উঠোন, বাগানে যেসব উদ্ভিদ জন্মে, সেগুলোকেই তিনি নিয়ে আসেন বহুতল ভবনে। দেশে বিদেশে নানা মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার পেয়েছেন রফিক আজম। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে খণ্ডকালীন শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি ভারত, পাকিস্তান, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়াসহ অন্যান্য দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্লাস নেন।
রফিক আজম তাঁর কাজের ভেতরে মানুষের জন্য ফাঁকা জায়গা নির্মাণ করতে চান। তাঁর মতে, ওই শূন্যতার অনুভব আনতেই আশপাশে কিছু পূর্ণস্থান দরকার পড়ে। কেননা, শূন্যতাকে বোঝার জন্য অন্যান্য অনুষঙ্গ লাগে। প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের আত্মিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য স্থাপত্যের ভূমিকাকে প্রাধান্য দেন তিনি।
বাংলাদেশের প্রকৃতির মধ্যে যে বৈচিত্র্য, রফিক আজম তাঁর স্থাপত্যে সেসবই তুলে আনতে চান। ফলে, তাঁর স্থাপত্যের বৈশিষ্ট্যের মধ্যে লক্ষ করা যায় বাংলার প্রকৃতির আদল। বহুতল ভবনের ওপরে পুকুর! সেখানে আবার ছোট্ট নৌকা রাখা! কে ভাবতে পেরেছিল এসব? রফিক আজম ভিন্নভাবে ভাবতে পেরেছেন বলেই বিশ্বের অনেক জায়গায় তাঁর দর্শনের প্রতিফলন দেখা যায় এখন। বাংলাদেশের স্থাপত্যও অনেকটা তাঁর কারণে বহির্বিশ্বে আলোচিত। নিসর্গের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপনে হঠাত্ দেখা যাবে ছাদের ফাঁকা জায়গা থেকে আলো আসছে, সূর্যের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ রাখেন তাঁর ভবনে। তিনি বলেন, ‘মানুষ কিন্তু সামগ্রিকভাবে প্রকৃতির অংশ। সুতরাং সবুজ প্রকৃতি এবং সতেজ বাতাস ছাড়া মানুষের টিকে থাকা অসম্ভব। সবুজ প্রকৃতি হলো অক্সিজেনের প্রধান উত্স।’
সাম্প্রতিক ভাবনা বিষয়ে বেশ খোলামেলা কথা বলেন রফিক আজম। তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত স্থাপনা অনেক তৈরি করেছি। নির্দিষ্ট কিছু মানুষের ঘরবাড়ি নয়, এখন আমি মানুষের জন্য স্পেস তৈরি করতে চাই। পুরো শহরের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। যেমন, বাগান, পার্ক, খেলার মাঠ, মসজিদ, মিউজিয়াম অর্থাত্ পাবলিক প্লেস যেগুলো, সেগুলো নির্মাণের কাজ করতে চাই। মানুষের সঙ্গে থেকে কাজ করতে চাই। আমি মানুষের স্থপতি হতে চাই।’
পুরান ঢাকার বেশ কিছু পার্ক তিনি নতুনভাবে তৈরি করছেন। পুরান ঢাকা বা ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওই প্রকল্পের নাম ‘জল সবুজে ঢাকা’। এ প্রকল্পে সর্বমোট ৩১টি পার্কের কাজ চলছে। এর প্রধান স্থপতি রফিক আজম। এগুলোর মধ্যে তিনি সরাসরি যুক্ত আছেন ১৭টি পার্কের সঙ্গে। সেগুলোরই একটি ‘রসুলবাগ পার্ক’। প্রকল্পের কাজ নিয়ে নিজের আশাবাদ ও উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করলেন তিনি, ‘এখনো আমি আমার প্রিয় কাজটি করে উঠতে পারিনি, করব। তবে, আমি খুব আশাবাদী রসুলবাগ পার্ক নিয়ে। খুব দুঃখ-দুর্দশার মধ্যে মানুষ ছিল ওখানে। মশা-মাছি তৈরি হতো, বর্ষার পানি জমে নোংরা তৈরি হতো। ওই পার্কটিতে এমন মানুষজন যেত যাদের সঙ্গে অন্যেরা মিশতে চাইত না। বাচ্চারা খেলত না ওখানে। বখাটেদের, মাদকসেবীদের আড্ডা ছিল ওই পার্কটিতে। একটা অন্ধকারাচ্ছন্ন ভুতুড়ে জায়গা ছিল ওটা। একধরনের পতিত জমির মতো ছিল। সেই জায়গাটিকে আমি ঝকঝকে পরিষ্কার জায়গা, প্রাণের জায়গা বানিয়েছি। এখন ওটি সকলের জায়গা হয়ে উঠেছে। ইতিমধ্যে সকাল বিকেলে ওখানে মানুষ জগিং করছে, মহিলার হাঁটছে, পানি জমে থাকছে না, যে পানিটা আগে জমে থাকত সেটিকে আমরা পরিশোধিত করে মানুষের খাওয়ার উপযোগী করে তুলেছি। সেটা এখন তারা খাচ্ছে, বাসার কাজ করছে, মসজিদে পানি যাচ্ছে। ওখানে লাইব্রেরি করেছি, কফিশপ করেছি। যে জায়গাটা পতিত ছিল, সেটা এখন মুরব্বিদের বসার জায়গা হয়েছে। একটা কমিউনিটি হল হয়েছে যেখানে বাচ্চারা বিকেলে ছবি আঁকে, গান শেখে। আবার মসিজদ যেটা ছিল সেটাকে সংস্কার করেছি কিছুটা। সেখানে বাচ্চারা কোরান পড়ছে, কায়দা পড়ছে। এই যে বাচ্চাদের এবং বড়দের সকলের যে চাওয়াগুলো, সমাজ তৈরি করতে যা যা লাগে সেই উপাদান নিয়ে কাজ করছি আমরা। সমাজ তৈরির কাজ করছি আমরা। যেখানে মিসিং ছিল সেগুলোকে জোড়া দিয়ে একত্রিত করার কাজ করছি আমরা। ছিল খালি জায়গা, কিন্তু কাজে আসত না। এখন এটা একটা উঠানের মতো হয়ে উঠেছে, বাসায় উঠান যেমন থাকে, তেমন। তো, একটা জায়গাকে কাজে লাগিয়ে আমরা অনেকগুলো জিনিস সমাধান করছি। অনেক মানুষ ব্যবহার করতে পারছে জায়গাটা। একেকটা সময় একেকটা মানুষ আসছে, একেক দল আসছে। ওটা বাচ্চাদের ক্লাসরুমের মতো হয়ে গেছে। যে ঢাক গাছ বা পলাশ গাছ থেকে ঢাকা শহরের নামটি এসেছিল, সেই গাছ লাগানো হয়েছে পাঁচটা। বাচ্চারা বিভিন্ন গাছ দেখে সেগুলোর নাম ও প্রকৃতি শিখতে পারছে। ছয় ঋতুতে যেসব ফুল ফল হয়, সেগুলো লাগানো হচ্ছে। ক্লাসরুমে বসে বই দেখে শেখা নয়, বাচ্চারা এখন ওখানে প্রকৃতি থেকে শিখতে পারছে। এখন বাচ্চারা বাসার জানলা থেকে দেখতে পাচ্ছে ছয় ঋতুতে ছয় রকমের ঘটনা ঘটছে ওখানে, এটা কি উত্তম নয় যে তারা প্রকৃতি থেকে সরাসরি শিখছে? তার মানে এটা কিন্তু ছোট বাচ্চাদের একটা ক্লাসরুমের মতো হয়ে গেল। তার মানে একটা পার্ক এখন নানাভাবে ব্যবহূত হচ্ছে। খেলাধুলা থেক শুরু করে বিনোদন, অবসর, সংস্কৃতি, ধর্মীয় শিক্ষা সবই হচ্ছে ওই পার্ক থেকে। একটা বটগাছ আছে ওখানে থিয়েটারের মতো করা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। অর্থাত্ প্রতিটি অনুষঙ্গকে কাজে লাগানো হয়েছে। যেটা ছিল না, সেটাকে নিয়া আসা হয়েছে। অর্থাত্ একটি পুর্ণাঙ্গ সমাজ গড়ে তোলার জন্য যা যা দরকারি বলে আমরা মনে করি, সেসবই ওখানে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। এ কাজটা আমার পছন্দের কাজ।’
স্থাপত্যে গুরুস্থানীয় বলতে তিনি দুজনের নাম সবসময় উল্লেখ করেন। রফিক আজম বলেন, ‘একজন অস্ট্রেলিয়ান স্থপতি গ্লেন মার্কট। অন্যজন শামসুল ওয়ারেস। যাঁর কথা ও চিন্তা আমার খুব কাজে লেগেছে। ওয়ারেস স্যার হয়তো অনেক কাজ করেন না, কিন্তু উনার কথা চিন্তা ও ধারণা আমাকে অনেক আইডিয়া দেয়।’
তিনি মনে করেন, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিবর্তনে রাজনৈতিক নেতারা সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারেন। স্থাপত্য সমাজ পরিবর্তনে কাজ করতে পারলেও এ শিল্পটিকে কাজ করতে হবে রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে থেকেই। ভবিষ্যতের বাংলাদেশকে তিনি সকল সাধারণ মানুষের বসবাসের উপযোগী একটি রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে চান।
রফিক আজমের সঙ্গে কথা বলে লেখাটি তৈরি করেছেন মেহেদি হাসান
রফিক আজম :স্থপতি