প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও বাংলাদেশের পাহাড় সমান রানের সামনে মলিন সফরকারি জিম্বাবুয়ে। রান তাড়ায় নেমে মোটামুটি লড়াই করে যাচ্ছিল দলটি। কিন্তু একশ রান তুলতেই ৪ উইকেট হারিয়ে ধুকছে তারা।
৩২৩ রানের বিশাল লক্ষ্যের সামনে দাঁড়িয়ে শুরু থেকেই ধুকতে থাকে জিম্বাবুয়ে। জিম্বাবুয়ের জন্য এত বড় রান তাড়া করা এই মুহূর্তে অসম্ভবের মতোই। তারপরও বাংলাদেশের বোলিং আক্রমণ ভাগটা খারাপ বলার উপায় নেই। এমন সব সমীকরণে নড়বড়ে জিম্বাবুয়ে দাঁড়াতেই পারছে না বাংলাদেশের সামনে।
বড় লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্রুতই ওপেনার রেগিস চাকবাকে হারিয়ে বসে জিম্বাবুয়ে। দলীয় ১৫ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২ রান করে শফিউল ইসলামের বলে কাভারে লিটন দাসের সহজ ক্যাচ হন জিম্বাবুইয়ান ওপেনার।
তিনাশে কামুনহুমামুইয়ের সঙ্গে দেখেশুনেই এগোচ্ছিলেন ব্রেন্ডন টেলর। তবে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি তাদের এই জুটি। মেহেদী হাসান মিরাজের দুর্দান্ত এক ফিল্ডিংয়ে রানআউট হয়ে যান টেলর। শফিউলের করা দশম ওভারের তৃতীয় বলটি মিডঅনে ঠেলে দিয়েই রান নিতে গিয়েছিলেন ১১ রান করা টেলর। এক হাতে বল ধরে আরেক হাতের দুর্দান্ত থ্রুতে স্ট্যাম্প ভেঙে দেন মিরাজ।
এরপর মিরাজ নিজেই বল হাতে নিয়ে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন জিম্বাবুয়ের আরেক অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান শন উইলিয়ামসকে (১৪)। ৬৭ রানে ৩ উইকেট হারায় সফরকারি দল। সেখান থেকে ১০০ পর্যন্ত নির্বিঘ্নেই গিয়েছিল জিম্বাবুয়ে।
ধীর গতিতে খেলে অর্ধশতক তুলে নেন কামুনহুমামুই। কিন্তু তারপরই যেন দায়িত্ব শেষ মনে করেন জিম্বাবুইয়ান ওপেনার। তাইজুল ইসলামের ঘূর্ণিতে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফিরেন তিনি। তারআগে ৭০ বলে ৫১ রান করেন কামুনহুমামুই।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৩৬.১ ওভার শেষে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ১৮২ রান। ওয়েসলে মাদেভেরে ক্যারিয়ারের মেইডেন অর্ধ শতক পূর্ণ করে আউট হন। ৫২ আর সিকান্দার রাজা ৩৯ রান নিয়ে হারের ব্যবধানটা কমানোর চেষ্টা করছেন।
এর আগে তামিম ইকবালের ১৫৮ রানের ক্যারিয়ারসেরা ইনিংসে ভর করে ৮ উইকেটে ৩২২ রানের বড় সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। মুশফিকুর রহীম ৫৫, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ৪১ আর মোহাম্মদ মিঠুন ১৮ বলে খেলেন ৩২ রানের ঝড়ো ইনিংস।
ইত্তেফাক/এসআই