বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ

চীন থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। আমাদের প্রতিবেশী ভারত ও শ্রীলঙ্কায়ও এর প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এমতাবস্থায় এই ব্যাপারে পাঠকরা আতঙ্কগ্রস্ত কি না তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। টেলিফোন ও ইমেইলে প্রাপ্ত তাদের সেই অভিমত আজ প্রকাশিত হলো

সারা বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাস ছড়াচ্ছে। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাস সংক্রমণের খবর পাওয়া যায়নি। তাই এটা আমাদের জন্য স্বস্তির বিষয়। তবে বৈশ্বিক পরিসরে সংক্রমণ বৃদ্ধির যেসব খবর পাওয়া যাচ্ছে, তাতে আমাদের নিশ্চিত থাকারও সুযোগ নেই। তাই সর্বত্র সচেতনতার বিষয়টি অত্যন্ত জরুরি। তার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রগুলোতে সচেতনতা বাড়াতে হবে। নিতে হবে বিশেষ পদক্ষেপ। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ও বেসরকারি গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচারণা অনেক বেশি বাড়াতে হবে।

এস কে মো. রমিজউদ্দিন

কাজীপাড়া, মিরপুর, ঢাকা-১২১৬

করোনা ভাইরাসে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়েছে।  হঠাত্ নতুন এই ভাইরাসের সুচিকিত্সারও ব্যবস্থা নেই। চিকিত্সার ওষুধ তৈরির  জোর চেষ্টা চলছে। তারপরেও চীনের চিকিত্সালয়ের ডাক্তার-নার্সরা মৃত্যুভয়কে উপেক্ষা করে যে মানবিক দায়িত্ব পালন করছেন তা বিশ্বের জন্য দৃষ্টান্তমূলক ও অনুকরণীয়। জানা গেছে, বন্যপ্রাণী থেকে করোনা ভাইরাসের উত্পত্তি। চীনারা বন্যপ্রাণী বেশি ভক্ষণ করেন। করোনা নিয়ে আমরাও রীতিমতো আতঙ্কিত।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের চিকিত্সার জন্য চিকিত্সালয় প্রস্তুত রাখা হয়েছে। চীন ফেরত সকলকে পরীক্ষা করা হচ্ছে। শুধু চীনই নয়, বিদেশ ফেরত সকলেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কি না তার পরীক্ষা শতভাগ স্বচ্ছতার মধ্যে নিশ্চিত করা জরুরি।

মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক নাছিম

রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ

জানা যায়, ইতোমধ্যে বিশ্বের ৭৮টি দেশে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে। শুরু হয়েছে একের পর আক্রান্ত হওয়া ও মৃত্যুর সংবাদ। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির এক উপদেষ্টাও মারা গেছেন করোনা ভাইরাসে। হুবেই প্রদেশের উহান থেকে প্রাদুর্ভাবের পর চীনে এখন পর্যন্ত মারা গেছে ২ হাজার ৯৪৩ জন, আক্রান্ত হয়েছে ৮০ হাজার ১৫১ জন। বিশ্বব্যাপী এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১২৫ জনে। দ্রুত এ সংক্রমণ ও মৃত্যুসংবাদ শুনে এবং অর্থনৈতিক দুরবস্থা দেখে আতঙ্কিত না হলেও শঙ্কামুক্ত হতে পারছি না। তাই অযথা মাস্ক কিনার হিড়িক ও আতঙ্ক সৃষ্টি নয়। বরং আমাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

উবাইদুল্লাহ তারানগরী, দুধনই

ধোবাউড়া, ময়মনসিংহ

করোনা ভাইরাস নিয়ে বাংলাদেশে কিছুটা হলেও আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। এ কারণে বোধ হয় রাস্তাঘাট, অফিস-আদালত এবং বাস-ট্রেনে কিছুসংখ্যক মানুষকে মাক্স পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়। এ ব্যাপারে সরকারি উদ্যোগে প্রচারণা এবং সচেতনতার ব্যবস্থা করলে মনে হয় আমরা এ ভাইরাস থেকে পুরোপুরি শঙ্কামুক্ত হতে পারব।

মাখরাজ খান

সাটুুরিয়া, মানিকগঞ্জ

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের প্রধান লক্ষণ হচ্ছে, শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া, জ্বর এবং কাশি। ভাইরাসটি শরীরে ঢোকার পর সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দিতে প্রায় সপ্তাহ খানেক লেগে যেতে পারে। এর প্রথম লক্ষণ হচ্ছে জ্বর। তারপর শুকনো কাশি, গলাব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া ইত্যাদি। এমনকি এক সপ্তাহের মধ্যেই শ্বাসকষ্ট দেখা দেয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে রোগীরা বুঝতে পারে না সে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত, নাকি সাধারণ সর্দি-কাশিতে। এ ক্ষেত্রে আক্রান্ত এলাকায় সাধারণ সর্দি-কাশি হলেও নাক, গলা ও বক্ষের পরীক্ষা করিয়ে নিশ্চিত হতে হবে সেটা করোনা ভাইরাস কি না। অতঃপর পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী চিকিত্সা নিতে হবে। কিন্তু এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলেই ঘাবড়ে যাওয়া যাবে না। কারণ সর্দি-কাশি মানেই করোনা ভাইরাস নয়। সুতরাং করোনা ভাইরাস নিয়ে ঘাবড়ে না গিয়ে চিকিত্সকের পরামর্শ নিতে হবে। করোনা ভাইরাস মূলত শ্বাসযন্ত্রের নিচের অংশ শ্বাসনালি ও ফুসফুসকে আক্রান্ত করে। এর ফলে বিশেষ করে বয়স্ক মানুষ নিউমোনিয়া ও হূদেরাগে আক্রান্ত হয়। এছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। প্রথমত, এ সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সচেতন হতে হবে। ইতোমধ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা  মানুষকে নিয়মিত হাত ভালোভাবে ধোয়া নিশ্চিত করা,  হাঁচি-কাশির সময় নাক-মুখ ঢেকে রাখা এবং ঠান্ডা ও ফ্লু আক্রান্ত মানুষ থেকে দূরে থাকার জন্য পরামর্শ দিয়েছেন ।

অমিত বণিক

উত্তরা, ঢাকা

করোনা ভাইরাস রোগটি দিন দিন ছড়াচ্ছে এক দেশ থেকে অন্য দেশে। আমাদের দেশেও এ ব্যাপারে এখনই কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে সরকারি-বেসরকারি এনজিওসহ নানা সংগঠন প্রচার-প্রচারণা ও সচেতনতার বিষয়ে এগিয়ে আসতে পারে।

মামুন

বংশাল, ঢাকা

আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ছে করোনা ভাইরাসের। সবার মুখে মুখে এই রোগের আলাপ-আলোচনা। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তিদের কাছ থেকে দূরে থাকা দরকার। এছাড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা একান্ত জরুরি। করোনা ভাইরাস থেকে মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করা একান্ত দরকার।

জাহাঙ্গীর হোসাইন

পীরেরবাগ, মিরপুর, ঢাকা

 এ ভাইরাসটি যদিও আমাদের দেশে এখনো পৌঁছায়নি তবুও সবাই আতঙ্কে আছে। এ বিষয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে জীবনযাপন করলে কোনো সমস্যা নেই।

হাবিবুর রহমান

শেখেরটেক, মোহাম্মদপুর,

ঢাকা

করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বব্যাপী। সতর্কতার চেয়ে  উদ্বেগ দিন দিন বাড়ছে। এই ভাইরাস সার্স মহামারির চেয়েও ভয়ংকর। বিশ্ব অর্থনীতিতে বড়ো প্রভাব ফেলতে পারে। তবে এখনই এ বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রত্যেক মানুষকে সচেতন হতে হবে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে মনোযোগী হতে হবে। সর্বদা মাস্ক ব্যবহার, হাত ধুয়ে ভালোভাবে চলতে হবে। এছাড়াও পাড়ায়-মহল্লায় করোনা ভাইরাস সম্পর্কে কর্মশালা, সেমিনার ও পর্যালোচনামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।

করিম, রিক

ধানমন্ডি, ঢাকা

করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি মোকাবিলার জন্য সরকারি পর্যায়ে সতর্কতা ও প্রস্তুতির পাশাপাশি ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়েও সচেতনতা ও সতর্কতা একান্ত প্রয়োজন।

হোসনে আরা করিম

নারীর কথা

হাজারীবাগ, ঢাকা

করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ছে দিন দিন। বিশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বাংলাদেশ জনবহুল দেশগুলোর অন্যতম। এদেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটলে তা এক বিরাট জাতীয় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। সে কারণে আমাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা ও প্রস্তুতি এখনই নিতে হবে।

মো. শহীদুল ইসলাম

নিশিদারা, মধ্যপাড়া, বগুড়া

আলহামদুলিল্লাহ, শোকরিয়া মহান আল্লাহর যিনি আমাদের এখনও করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা করেছেন এবং প্রত্যাশা তিনি আমাদের রক্ষা করবেন। আমরা আতঙ্কিত হবো না, আতঙ্ক ছড়াবো না। আমরা সচেতন থাকব,সম্ভ্যাব্য ধর্মীয় বিবেচনায় চলব। জীবন বাঁচাতে খাদ্য প্রয়োজন হয়, তাই খাবার দিকটি লক্ষ্য রাখব, খাদ্যের মান বিবেচনায় খাব।

মো. ফিরোজ আহম্মেদ

মিরপুর, সেকশন-৬, ঢাকা

চীন থেকে বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে বন্দর ও চেকপোস্টগুলোতে বিশেষ সতর্কতা জারি করেছে বাংলাদেশের মতো প্রতিটি দেশের সরকার। এ পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত না হয়ে সবাইকে সমন্বিতভাবে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে এগিয়ে আসা জরুরি। করোনা ভাইরাস নিয়ে মানুষের ভেতর তৈরি হওয়া আতঙ্ক কমিয়ে এটা প্রতিরোধে সম্মিলিত পরিকল্পনা গ্রহণ করা দরকার। করোনা ভাইরাস নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ গণমাধ্যমে যাতে অযথা গুজব না ছড়ায়।  চিকিত্সাকেন্দ্র থেকে যেন কোনোভাবেই এই রোগ ছড়াতে না পারে এজন্য যথাযথ ব্যবস্থা নেবো।

মো. জিল্লুর রহমান

গেণ্ডারিয়া, ঢাকা

দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস। বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যাও। দক্ষিণ কোরিয়া, ইতালির পরিস্থিতি উদ্বেগজনক; ভারতেও আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গেছে। বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসে মৃতের সংখ্যা প্রায় ৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। প্রায় ৭৮টি দেশে ভাইরাস ছড়িয়ে যাওয়ার খবর মিলেছে সম্প্রতি। মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশসহ ইরানেও মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। অন্যদিকে ইতালিসহ ইউরোপেও করোনা আতঙ্ক ক্রমশ বাড়ছে। এর-ই মধ্যে আমেরিকায়ও করোনা ভাইরাসে কয়েকজনের মৃত্যু হলো। এসব উন্নত দেশের পরিস্থিতি যদি এত ভয়াবহ হতে পারে তাহলে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের কী অবস্থা হবে!  বাংলাদেশ তো এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে হিমশিম খেয়ে যাবে। তাই স্বাভাবিকভাবেই সকলের মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিচ্ছে। সচেতন নাগরিক হিসেবে সকলের উচিত সকলের স্বাস্থ্যর প্রতি সজাগ দৃষ্টি দেওয়া।

সাদিয়া সুলতানা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অ্যান্ড কলেজ; সাভার, ঢাকা

পৃথিবীতে যত প্রকার সংক্রামক রোগের উত্পত্তিস্থল হচ্ছে চীন। ১৯৯২ সালে চীনে ডেঙ্গু জ্বরের উত্পত্তি হয়। যা ক্রমান্বয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে ২০১৯ সালে বাংলাদেশ এতে আক্রান্ত হয়। তুরস্কের অবিসংবাদিত নেতা মোস্তফা কামাল আতার্তুক যে রোগে আক্রান্ত হন সেটা হলো তার শরীরে পিঁপড়া পাওয়া গিয়েছিল। এই পিঁপড়া এলো চীন থেকে। বর্তমানে আতঙ্কের রোগ করোনা ভাইরাস। যার উত্পত্তিস্থল চীনের ওয়ান প্রদেশে। যার মৃত্যুর সংখ্যা ৩ হাজারের ওপরে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখেরও বেশি। তাই প্রিন্ট মিডিয়া এবং ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া যে সমস্ত কার্যকলাপও খাদ্যসামগ্রীর সম্পর্কে  যেভাবে হুঁশিয়ারি করে দেয়া হচ্ছে তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

খন্দকার কামরুজ্জামান

৩৬৩/১০ উত্তর পীরের বাগ, মিরপুর, ঢাকা

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস চলে এলেও আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আমাদের বিশ্বাস আমাদের দেশে বড়ো আকারে তেমন ছড়িয়ে পড়বে না।

মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল)

আরাপপুর, ঝিনাইদহ

বর্তমানে করোনা ভাইরাস এশিয়া, মধ্যেপ্রাচ্য, ইউরোপসহ বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। করোনা ভাইরাসে মানুষের আতঙ্কিত হওয়ারই কথা। তবুও আমাদের মন শক্ত রেখে করোনা ভাইরাস মোকাবিলা করতে হবে।

ফারুক আহমেদ

বাগমারা, রাজশাহী

করোনা ভাইরাসে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক ও সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত।

শিশির

পিলখানা, ঢাকা

করোনা ভাইরাস থেকে কীভাবে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে সেই বিষয়টি সবার আগে পর্যালোচনা করতে হবে। এছাড়া করোনা ভাইরাস শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা তথা ডায়াগনস্টিক পরীক্ষার সুলভ ও সহজ ব্যবস্থা রাখতে হবে। এই ভাইরাস না পাওয়া গেলে তাদের সতর্কতামূলক পরামর্শ দিয়ে ছেড়ে দিতে হবে।

সুগন্ধী আক্তার

মতিঝিল বা/এ, ঢাকা

সারাবিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশেও ঘনীভূত হচ্ছে করোনা আতঙ্ক। যতদিন গড়াচ্ছে ততদিন করোনা ভাইরাসে হানায় বিপর্যস্ত হচ্ছে গোটা দুনিয়া। বাংলাদেশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বেশি। কিন্তু সতর্কতা কম।

জাহিদ কুরবান

চালাকচর, মনোহরদী