জো ক স

ইচ্ছা পূরণ

স্ত্রী :ইচ্ছা করে, সংসারে লাত্থি মেরে যেদিকে দু’চোখ যায়, সারা জীবনের জন্য চলে যাই।

স্বামী :দু-একটা ইচ্ছা পূরণ করলেও তো পারো।

বিয়ে করলেই...

ছেলেটি :তোমাকে পাবার জন্য আমার দু’চোখ থেকে ঘুম চলে গেছে। প্রতিটা রাত কাটে নির্ঘুম। আমাকে বিয়ে করবে?

মেয়েটি :ভুলেও না। 

ছেলেটি :কেন?

মেয়েটি :বিয়ে করলেই তো সব ঘুম ফেরত চলে আসবে। তখন তো সারারাত ঘুমিয়েই কাটাবে।

উদ্দেশ্য ভিন্ন 

১ম বন্ধু :নারী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও ফ্যাশন শো’র আয়োজন করা হচ্ছে, যাবি? 

২য় বন্ধু :কখন শুরু হবে?

১ম বন্ধু :সন্ধ্যা ৬টায়।

২য় বন্ধু :তাহলে যাব, রাত ৯টার দিকে ফ্রি থাকব। 

১ম বন্ধু :কি রে কানে শুনিস না? বললাম, অনুষ্ঠান শুরু হবে সন্ধ্যা ৬টায়।

২য় বন্ধু :শুনেই তো বললাম।    

১ম বন্ধু :তাহলে রাত ৯টায় গিয়ে কী করবি?

২য় বন্ধু :কেন, ততক্ষণেও কি আলোচনা সভা শেষ হবে না?

নারী দিবস পালন

মায়ের অগোচরে ছেলে একদিন তার বাবাকে শাসাচ্ছে—

ছেলে :বাবা, আজ নাকি বাসায় নারী দিবসের মিটিং হবে? এসব কী? তুমি কিছু বলছ না কেন?

বাবা :নারী দিবসের মিটিং হবে, এখানে আমি কী বলব?

ছেলে :তোমার নিজস্ব মতামতের কি কোনো দাম নেই? মা কি এ সংসারে তোমার চেয়ে বেশি আয়-রোজগার করে? তোমার চেয়েও বেশি বুদ্ধি রাখে? তুমি কেন সব সময় মায়ের সব কথা মেনে নাও? মা-কে এত কীসের ভয় তোমার? কথা বলছ না কেন, বলো?   

বাবা :কথা বলছি না কারণ, তোর মা ঠিক তোর পেছনে দাঁড়ানো।

ছেলে (পেছনে না তাকিয়ে) :আমি জানি, আমার লক্ষ্মী মা নিঃশব্দে সব সময় আমার সাথেই থাকে। আমি শুধু দেখতে চাইছিলাম, মা সম্পর্কে তোমার কী ধারণা। 

বাবা (মুচকি হেসে) :তোর মা সম্পর্কে তোর যেমন ধারণা, আমারও তাই। পেছনে কেউ নেই, তুই নির্ভয়ে আবার শুরু করতে পারিস।    

 

ভয়

মেয়ে :বাবা, তুমি ভূত ভয় পাও?

বাবা :আরে ধূর, ভূত বলে কিছু আছে নাকি?

মেয়ে :আচ্ছা, তুমি কি ড্রাকুলা ভয় পাও?

বাবা :আরে বোকা, ড্রাকুলা বলে কিছু আছে নাকি?

মেয়ে :তাহলে কি প্রেতাত্মা, পিশাচ, ডাইনী—এসব ভয় পাও?

বাবা :কি যে বলিস, এসব কিছু আছে নাকি?

মেয়ে :মাকে ছাড়া তুমি তাহলে কিছুই ভয় পাও না?

বাবা :...।

 

সেরা তিন

কী সেই তিন—যা শত চেষ্টা করেও বোঝা যায় না?

১। রাজনীতি;

২। শেয়ার মার্কেট;

আর ...; আর ...; আর ...;

৩। নারীর মন।

খবর 

সাংবাদিক :বস, একটা চাঞ্চল্যকর খবর আছে।

পত্রিকা সম্পাদক :কী খবর?   

সাংবাদিক :গভীর হতাশায় সিনেমার এক নায়ক পাঁচতলা থেকে লাফ দিয়ে এখন হাসপাতালে।

সম্পাদক :আরে, এটা কোনো খবর হলো? 

সাংবাদিক :বলেন কী? এটা খবর না?

সম্পাদক :খবর হতো, যদি নায়ক নীচ থেকে লাফ দিয়ে পাঁচতলায় গিয়ে পড়ত। 

 

পেশা বদলের সময় এসে গেছে

১ম বন্ধু :আমার যে কি হয়েছে বুঝতেই পারছি না। রাতে একদমই ঘুম আসে না। দিনের বেলায় ঢুলতে থাকি।

২য় বন্ধু :তোর পেশা বদলের সময় এসে গেছে। তবে আর দেরী কেন? নেমে পড়।

 

সেয়ানে সেয়ানে

শ্যালিকা :কি দুলাভাই, চিড়িয়াখানা কেমন দেখলেন?

দুলাভাই :খুব ভালো লেগেছে। 

শ্যালিকা :তাহলে আর ফিরে এলেন কেন?

দুলাভাই :তোমাদের সবাইকে নিয়ে যেতে।

 

বুদ্ধি থাকলে তো

১ম বন্ধু :শোন গাধা, বুদ্ধি থাকলে তোর ডিভোর্স হতো না।

২য় বন্ধু :সে আর বলতে, বুদ্ধি থাকলে তো বিয়েই হতো না।

যেতে দিলে তো

ধনী রোগীর ছেলে :আমার বাবা এক মাস হয়ে গেলো ক্লিনিকে ভর্তি। উনার তো কোনো উন্নতি দেখি না। আমাদের ছেড়ে চলে যাবেন না তো?  

ডাক্তার সাহেব :কি যে বলেন, আমরা তাকে যেতে দিলে তো!

 

পুরুষ না মহিলা?  

স্কুল শিক্ষিকা :২০ বছর আগে যে জন্মেছে, আগামী ১০ বছর পরে তার বয়স কত হবে—কে বলতে পারবে, হাত তোলো।

বিল্টু (হাত তুলে) :আচ্ছা মিস, উনি কি পুরুষ না মহিলা? 

স্কুল শিক্ষিকা :কেন—পুরুষ, মহিলা দিয়ে কী হবে?

বিল্টু :না মানে, দুই জনের জন্য দুই হিসাব তো তাই।

 

আমার মামা সব জানে

ভাগ্নে :আচ্ছা মামা, তালাক শব্দটা কোথা থেকে এসেছে?

মামা :বিবাহ থেকে।

 

জিম্বাবুয়ে কাউকে নিরাশ করে না

১ম বন্ধু :বল তো জিম্বাবুয়েকে সব দেশ পছন্দ করে কেন?

২য় বন্ধু :কারণ, জিম্বাবুয়ে কাউকে নিরাশ করে না। বিপক্ষ দলের মুখে হাসি ফোটাতে সদা প্রস্তুত।

 

মহৌষধ

দারোগা :কসমেটিকসে ভেজাল মেশানোর আসল ওস্তাদ কে?

ভেজাল ব্যবসায়ী :বলব না।

দারোগা :পিটিয়ে ছাল তুলে ফেলব। বল, কবে থেকে এই কারবার করছিস?

ভেজাল ব্যবসায়ী :বলব না। 

দারোগা :ওই, কে আছিস, বিটিভিটা ছাড় তো।

ভেজাল ব্যবসায়ী :বলছি, বলছি সব বলছি। প্লিজ বিটিভি ছাড়বেন না।

 

তাহলে এত কম কেন?

এক প্রদায়ক তার ফান পাতার সম্পাদকের সঙ্গে দেখা করতে এসেছে। প্রদায়কের হাতে কয়েকটা প্যাকেট।

সম্পাদক সাহেব :কী ব্যাপার, ওসব কী?

প্রদায়ক :জি, মিষ্টির প্যাকেট আর দুটো টি-শার্ট। 

সম্পাদক সাহেব :এতকিছু কার জন্য?

প্রদায়ক :জি, আপনার জন্য।

সম্পাদক সাহেব :তাহলে এত কম কেন?

 

সে আশাতেই তো

দুই বন্ধু গেলো সুন্দরবন ঘুরতে। ঘুরতে ঘুরতে হঠাত্ এক বাঘ তাদের দিকে ছুটে আসতে লাগল।

১ম বন্ধু :হায় হায়, আমরা এখন কী করব?

২য় বন্ধু :তোর কিছু করতে হবে না। যা করার বাঘই করবে।

১ম বন্ধু :বাঘ যদি আমাকে খেয়ে ফেলে?

২য় বন্ধু :সে আশাতেই তো বুক বেঁধে আছি!

 

মামা সব জানে

ভাগ্নে :মশার কামড়ে জীবন তো অতীষ্ট হয়ে গেলো, রাতে ঘুমাতে পারি না। কী করি বলো তো?

মামা :বিটিভি ছেড়ে বসলেই তো হয়।