প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর কর্মসূচি এমনভাবে উদযাপিত হবে যাতে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার মাধ্যমে জনগণ স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে না পড়ে। প্রাণঘাতী ভাইরাস যেহেতু বিশ্বব্যাপী আতংক সৃষ্টি করেছে, কাজেই জনগণের সুরক্ষা এবং স্বাস্থ্যের প্রতি মনোনিবেশ করা আমাদের দায়িত্ব এবং কর্তব্য। সে কারণেই আমরা বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কর্মসূচি পুনরায় সাজিয়েছি।’
শেখ হাসিনা সোমবার (৯মার্চ) সন্ধ্যায় তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে তাঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দলের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকের প্রারম্ভিক ভাষণে একথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে শিশু সমাবেশসহ অনেক কর্মসূচিই স্থগিত করা হয়েছে। এবং বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আগামী ১৭ মার্চ সীমিত আকারে অনুষ্ঠিত হবে। রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ এবং গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতার সমাধিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণসহ অন্যান্য কর্মসূচি যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। তবে, টুঙ্গিপাড়ায় শিশু-কিশোর সমাবেশ সীমিত আকারে অনুষ্ঠিত হবে।
প্রধানমন্ত্রী সিওভিআইডি-১৯ নামক প্রাণঘাতী ভাইরাসের কারণে দেশবাসীকে আতঙ্কিত না হওয়ারও আহবান জানান। তিনি বলেন, ‘এই ভাইরাসটি কয়েকদিনের জন্য থাকবে তারপরে এটি শেষ হয়ে যাবে। তাই এটি নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘শীত থেকে গ্রীষ্মে যাওয়ার কারণে আবহাওয়ার পরিবর্তন হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই শীতজনিত রোগগুলো এ সময় দেখা দেয় এবং আমি অবশ্যই বলতে পারি যে, স্বাভাবিক সর্দিতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।’
তিনি বলেন, ‘সকলেই মাস্ক এবং স্যানিটাইজার কেনার জন্য যেন পাগল হয়ে গেছে এবং তারা বিপুল পরিমাণে এইগুলি কিনে নিচ্ছে, এটি কেবল বাংলাদেশে নয়, সারা বিশ্ব জুড়েই ঘটছে। এটি পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়।’
ইত্তেফাক/এমআর