স্বর্ণের দাম আট বছরে সর্বোচ্চ
করোনা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগে বিশ্ব অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। ধস নেমেছে বিশ্ব পুঁজিবাজারে। এ অবস্থায় অনেকেই নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণকে বেছে নিচ্ছেন। এর প্রভাবে গেল সপ্তাহে বিশ্ববাজারে সাত বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম এক হাজার ৭০০ ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়েছে। যা ২০১২ সালের পর এটিই ধাতুটির সর্বোচ্চ দাম। খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, সাধারণত ডলারের মান যখন দুর্বল হয়ে ওঠে, তখন স্বর্ণসহ নির্ধারিত বিভিন্ন ধাতুতে বিনিয়োগ করায় নিরাপদ বোধ করেন বিনিয়োগকারীরা।
এয়ারলাইনস ব্যবসায় ধস
করোনা ভাইরাসের কারণে বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট কমিয়ে দিয়েছে বিশ্বের অনেক এয়ারলাইনস। অনেক রুটে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করায় চলাচল আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়া আতঙ্কের কারণে যাত্রীসংখ্যা কমে গেছে উল্লেখযোগ্য হারে। এর প্রভাব পড়ছে এয়ারলাইনসগুলোর ওপর। হংকংভিত্তিক ক্যাথে প্যাসিফিক পূর্বাভাস দিয়েছে, চলতি বছরের প্রথমার্ধে তাদের ব্যাপক লোকসান হবে। কোরিয়ান এয়ারের টিকে থাকাই অনেক কঠিন হয়ে পড়ছে। একই অবস্থা অন্য এয়ারলাইনসগুলোরও। বিশেষ করে চীন, কোরিয়া, হংকং এবং ইতালিভিত্তিক এয়ারলাইনস কোম্পানিগুলোই বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
বিশ্বব্যাপী পর্যটক কমছে
করোনা ভাইরাসের কারণে চলতি বছর বিশ্বব্যাপী পর্যটকসংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ শতাংশ কমবে। এর আগে পর্যটক বাড়ার যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল, এটি তার বিপরীত। বিশ্ব পর্যটন সংস্থা এ পূর্বাভাস দিয়েছে। মাদ্রিদভিত্তিক জাতিসংঘের এ সংস্থা এক বিবৃতিতে বলেছে, আন্তর্জাতিক পর্যটক আগমনের বর্তমান প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২০২০ সালে এ সংখ্যা এক থেকে ৩ শতাংশ কমে যেতে পারে। এ বছর আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা ৩ থেকে ৪ শতাংশ বাড়তে পারে বলে জানুয়ারিতে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল। আর পর্যটক কমে যাওয়ায় আন্তর্জাতিক পর্যটন খাতের ৩ হাজার থেকে ৫ হাজার কোটি ডলারের ক্ষতি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০০৯ সালের পর থেকে এই প্রথম বার্ষিক আন্তর্জাতিক পর্যটকের সংখ্যা হ্রাস পাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
— নাঈমা সুলতানা