/ সত্যজিত্ বিশ্বাস
প্রতিভার স্বাক্ষর
ঠাট্টা সম্পাদক :কী ব্যাপার, আমার কলমটা পকেটে ঢুকিয়ে নিলেন যে?
প্রদায়ক :কী আর বলব লজ্জার কথা। ইদানিং কী যে হয়েছে, কিছু দেখলেই চুরি করতে ইচ্ছা করে।
ঠাট্টা সম্পাদক :আরে লজ্জা কীসের? এ তো বিরাট প্রতিভার কথা। আসেন, আপনাকে কিছু খাওয়াই।
প্রদায়ক :সত্যি বলছেন?
ঠাট্টা সম্পাদক (এদিক ওদিক তাকিয়ে) :মিথ্যা বলব কেন? ওই যে, কেকের দোকানটা দেখছেন?
প্রদায়ক :জি, দেখছি তো। ঠাট্টার জন্মদিনে কেক খাওয়াবেন?
ঠাট্টা সম্পাদক :অবশ্যই। তবে প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে পারলে। তাড়াতাড়ি যান, আমি এখানেই অপেক্ষা করছি।
মহা ধুমধামে পালন
ঠাট্টারু (১) :এবার ঠাট্টার জন্মদিন সবাই মিলে মহা ধুমধামে পালন করি, কী বলেন?
ঠাট্টা সম্পাদক :অবশ্যই।
ঠাট্টারু (২) :তাহলে আমরা ঠাট্টার জন্মদিনে কী করব?
ঠাট্টা সম্পাদক :কেন, ঠাট্টা করব।
ঠাট্টারু (সবাই মিলে সম্পাদককে ধরে) :আরে না, ধুম, ধাম, ধুপ, ধপাস...!
ধারণা পাল্টে যাবে
ব্যাচেলার কলিগ :অফিসের বসের মতো এতো পেইন পৃথিবীতে আর কেউ দিতে পারে না।
বিবাহিত কলিগ :বিয়ে করলেই ধারণা পাল্টে যাবে।
তুমি যে ব্রাইট
প্রেমিকা :সানগ্লাসের ভেতর দিয়ে এদিক ওদিক মেয়ে দেখছো, আমি বুঝি টের পাই না?
প্রেমিক :কি যে বলো! তোমাকে বাদ দিয়ে আমি অন্যদিকে তাকাই?
প্রেমিকা :আমাকে দেখতে সানগ্লাস লাগে?
প্রেমিক :লাগে তো, তুমি যে ব্রাইট...!
না হইলে বানাইলো কেমনে?
এক লোক বউ নিয়ে ঢাকা শহরে এসে খেতে বসেছে হোটেলে।
গ্রাম্যবধূ :এগুলান কী?
স্বামী :এগুলা হইল শামী কাবাব।
গ্রাম্যবধূ :ছি, ছি, ছি...; কী কন এইসব? স্বামী কখনো কাবাব হয়?
স্বামী :না হইলে বানাইলো কেমনে?
আশ্চর্য
নগর পরিকল্পনাবিদ :শুনে আশ্চর্য্য হবেন যে, শব্দ দূষণ, বায়ু দূষণ, পানি দূষণ, পরিবেশ দূষণ এসব দূষণের কোনোটাতে আমরা প্রথম, কোনোটাতে দ্বিতীয়। যে কোনো মূহূর্তে আমাদের শহরটাকে ধ্বংস করে দিতে পারে এসব দূষণ।
সাংবাদিক :বলেন কী?
নগর পরিকল্পনাবিদ :কী, আশ্চর্য হলেন তো?
সাংবাদিক :তা তো হলামই। এতগুলোতে প্রথম, দ্বিতীয় হয়েও কোনো দূষণ কিছুই করতে পারছে না আমাদের!
কোন ফ্লেবার?
বাচ্চা মশা :মানুষের রক্তের তো অনেক ফ্লেবার। এ, বি, এবি, ও—এগুলোর মধ্যে কোনটা বেশি ভালো?
বাবা মশা :এটা হচ্ছে কোক, ফানটা, পেপসির মতো। সবগুলোই খেতে মজা। যার যেটা ভালো লাগে, সে সেটাই খায়।
যমও পারল না?
শিক্ষক :কি রে, গতকাল স্কুলে না আসার কারণ কী?
ছাত্র :কি যে বলেন স্যার, গতকাল তো ভয়ানক অসুস্থ ছিলাম। একেবারে যমে, মানুষে টানাটানি...।
শিক্ষক :তারপর?
ছাত্র :তারপর আর কী? যুদ্ধ করে কোনোমতে ফিরে এসেছি।
শিক্ষক :বলিস কী? যমও পারল না তোর সাথে?
স্ত্রীরা কাবাব বানায়
১ম বন্ধু :স্বামী কাবাব আছে, স্ত্রী কাবাব নাই ক্যান?
২য় বন্ধু :স্ত্রীরা কাবাব হয় না, বানায়।
অকৃতজ্ঞ না, তাই
১ম মশা :আচ্ছা বড়ো ভাই, আমরা সব বাসায় কামড়াতে যাই, সিটি মেয়রদের বাসায় যাই না কেন?
২য় মশা :আমরা যে অকৃতজ্ঞ না, তাই।
চায়ের সংজ্ঞা
চা হচ্ছে সেই জিনিস—
n যা বউ বানালে, গরম পানি।
n প্রেমিকা বানালে অমৃতের রস।
n টং দোকানে বানালে চিনির শরবত।
n হোটেলে বানালে পায়েস।
n অফিসের পিয়ন বানালে চিরতার রস।
n অফিস সেক্রেটারি বানালে এনার্জি ড্রিঙ্কস।