দুনিয়ার জীবনে দুঃখ-কষ্ট আসবেই। মন খারাপ হবে বার বার। এ সময় ধৈর্য ধারণ করতে হবে। আল্লাহ ধৈর্যশীলদের পছন্দ করেন। আল্লাহ বলেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ করো এবং ধৈর্য ধারণের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা কর। সুরা আল-ইমরান, আয়াত-২০০। যারা ধৈর্য ধারণ করবে, মহান আল্লাহ তাদের পুরস্কৃত করবেন। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয় আমি তাদের ধৈর্যের কারণে আজ তাদেরকে পুরস্কৃত করলাম; নিশ্চয় তারাই হলো সফলকাম। সুরা মুমিনুন, আয়াত-১১১)। ধৈর্যশীলদের অগণিত পুরস্কার পূর্ণভাবে দেওয়া হবে। সুরা যুমার, আয়াত-১০।
আল্লাহ বলেন, নিশ্চয় আমি মানুষকে শ্রমনির্ভররূপে তথা কষ্ট-ক্লেশের মধ্যে সৃষ্টি করেছি। (সুরা বালাদ, আয়াত-৪)। তাই ভালো সময় ও মন্দ সময় আসবে। এটা মানুষের জন্য পরীক্ষা স্বরূপ। আল্লাহ তায়ালা বলেন, আর ভালো ও মন্দ দ্বারা আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করে থাকি এবং আমার কাছেই তোমাদের ফিরে আসতে হবে। (সুরা আম্বিয়া, আয়াত-৩৫)। মানুষের জন্য ধন, সম্পদ, সন্তানসন্তুতিও পরীক্ষা বিশেষ। আল্লাহ বলেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তানসন্তুতি তো কেবল পরীক্ষা বিশেষ। আর আল্লাহর নিকটই রয়েছে মহান প্রতিদান। সুরা আত-তাগাবুন, আয়াত-১৫। অতএব, বিপদে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইতে হবে। বিপদ তিনি দেন। আবার মন ভালো ও খারাপ তিনিই করেন। মনে এই দৃঢ় বিশ্বাস রাখতে হবে। মানুষ হয়ে অন্য মানুষকে করনেয়ালা ভাবা যাবে না। আল্লাহ বলেন, ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। আল্লাহ নিশ্চয় ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন। সুরা বাকারা, আয়াত-১৫৩। তাই মন খারাপ হলে ধৈর্যধারণের পাশাপাশি বেশি বেশি নামাজ আদায় করা উচিত।
লেখক: বেসরকারি চাকরিজীবী, ইসলামী গবেষক