আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, এখন আব্দুল মাজেদের বিরুদ্ধে রায় কার্যকর করার জন্য আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে। এই আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই রায় কার্যকর করা হবে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজের গুলশানের আবাসিক অফিস থেকে একটি ভিডিও বার্তায় এ কথা বলেন তিনি।
আইনমন্ত্রী বলেন, মাজেদ বঙ্গবন্ধু হত্যা ও ষড়যন্ত্রের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন। সাক্ষ্য প্রমাণে বিচারিক ও আপিল আদালতে তার মৃত্যুদণ্ড হয়।
আইনমন্ত্রী বলেন, তিনি (মাজেদ) কারাগারে করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারেন কি-না, এমন প্রশ্ন আমার কাছে এসেছে। আব্দুল মাজেদকে মিরপুর সাড়ে ১১ নম্বর এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তিনি ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের সলিটারি কনফাইনমেন্টে রাখা হয়। আব্দুল মাজেদকে সলিটারি কনফাইনমেন্টে রাখা হবে। এ হিসেবে তিনি করোনা ভাইরাস ছড়ানোর কোনো ঝুঁকি সৃষ্টি করবেন না।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বরখাস্ত হওয়া ক্যাপ্টেন আব্দুল মাজেদ ২৩ বছর ধরে কলকাতায় আত্মগোপনে ছিলেন। গত ১৬ মার্চ তিনি ঢাকায় আসেন। এরপর গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
আরো পড়ুন : করোনা রোগী বহণ করতে প্রস্তুত বিমানবাহিনীর বিশেষ হেলিকপ্টার
আজ মঙ্গলবার দুপুর পৌনে ১টায় মাজেদকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
উল্লেখ্য বঙ্গবন্ধুকে সপরিবার হত্যার ৪৫ বছর, নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের মামলার ২৫ বছর এবং উচ্চ আদালতের রায়ে ৫ আসামির ফাঁসি কার্যকরের ১১ বছর পর গ্রেফতার হলেন খুনি মাজেদ। বাসস
ইত্তেফাক/ইউবি