লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় যৌতুকের টাকা না পেয়ে আহিমা বেগম আঁখি (২২) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সাইয়াকুল ইসলামের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী সাইয়াকুল ও তার পরিবার পলাতক রয়েছেন।
আজ বুধবার (৮এপ্রিল) সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে উপজেলার উত্তর পারুলিয়া গ্রাম থেকে ওই গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত আহিমা বেগম আঁখি পার্শ্ববর্তী পাটগ্রাম উপজেলার জোংড়া ইউনিয়নের জোংড়া ইঞ্জিন ৫নং ওয়ার্ডের আমির হোসেনের মেয়ে। আর অভিযুক্ত সাইয়াকুল ইসলাম উপজেলার উত্তর পারুলিয়া গ্রামের আইয়ুব আলীর পুত্র।
জানা গেছে, প্রায় ৪ বছর আগে ১ লাখ ২৮ হাজার টাকা যৌতুকের বিনিময়ে বিয়ে হয় আঁখি ও সাইয়াকুলের। তবে বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আবারো টাকার জন্য আঁখিকে নির্যাতন শুরু করেন স্বামী সাইয়াকুল। এ নিয়ে কয়েকবার সালিসি বৈঠক হয়। এ দিকে মঙ্গলবার রাতে সাইয়াকুল স্ত্রী আঁখিকে মারধর করেন। এর এক পর্যায়ে তাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
আরো পড়ুন: সিনিয়র সাংবাদিক রওশন জামান আর নেই
এ বিষয়ে নিহতের বাবা আমির হোসেন বলেন, আমি ১ লক্ষ টাকা পরিশোধ করেছি। মাত্র ২৮হাজার টাকা দিতে না পারায় ওরা আমার মেয়েকে হত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই। আমি ভুট্টা তুলে বাকি টাকাটা দিতাম এবং সময়ও নিয়েছিলাম তাদের কাছ থেকে।
হাতীবান্ধা থানার ওসি তদন্ত নাজির হোসেন জানান, বুধবার সকালে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লালমনিরহাট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া মাত্রই আমরা দ্রুত আসামি ধরবো।
ইত্তেফাক/এএএম