লকডাউনে সংঘর্ষ, ‘মূল হোতা’ চেয়ারম্যান ও গ্রাম সর্দার আটক

করোনা মহামারির মধ্যে লকডাউন অমান্য করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক ব্যক্তির পা কেটে নিয়ে আনন্দ মিছিল করার ঘটনায় ৪২ জনকে আটক করেছে পুলিশ।

তাদের মধ্যে রয়েছেন সংঘর্ষের ‘প্রধান দুই হোতা’ কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান ও থানাকান্দি গ্রামের সর্দার আবু কাউসার মোল্লা। 

আবু কাউসার মোল্লাকে রবিবার রাতে আশুগঞ্জ উপজেলার বায়েক এলাকা এবং জিল্লুর রহমানকে সোমবার ভোরে ঢাকার কলাবাগান এলাকা থেকে আটক করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে নবীনগরের কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমানের সঙ্গে থানাকান্দি গ্রামের বাসিন্দা কাউসার মোল্লার বিরোধ চলছে। এ বিরোধের জেরে রবিবার সকাল থেকে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। 

থেমে থেমে চলা এ সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মোবারক মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তির পা কেটে নিয়ে গ্রামে আনন্দ মিছিল করে এক পক্ষ। এছাড়াও সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি ঘর-বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নবীনগর সার্কেল) মকবুল হোসেন জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় অভিযান চালিয়ে ৪২ জকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটায় পুলিশ বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। 

ইত্তেফাক/জেডএইচ