কুমিল্লায় ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের প্রতিবাদী যুবকের বিরুদ্ধে পাল্টা মামলা

কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার পাঁচথুবী ইউনিয়নের চাঁনপুর গ্রামে ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের প্রতিবাদ করায় মাঈন উদ্দিন আহমেদ রুবেল নামের এক যুবককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার ঘটনায় কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর প্রতিপক্ষরা আহত ওই যুবকের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রাতে থানায় পাল্টা মামলা দায়ের করেছে। এদিকে জেলার দেবিদ্বার উপজেলার রাজামেহার ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম কর্তৃক ওই ইউনিয়নের মাসিকরা গ্রামের মাওলানা আজিজুর রহমানকে (মাদরাসা শিক্ষক) তার স্ত্রীর মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে বেধরক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার ৮ দিন পর বৃহস্পতিবার রাতে ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মামলার পর থেকে ওই চেয়ারম্যান পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

জানা যায়, পারিবারিক কলহের কারণে ৪ সন্তানের জননী আমেনা আক্তার গত ৯ এপ্রিল তার স্বামী রাজামেহার ইউনিয়নের বেতরা দাখিল মাদরাসার শিক্ষক আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ওই ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের নিকট তাকে নির্যাতনের মৌখিক অভিযোগ করেন। স্ত্রীর এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউপি চেয়ারম্যান ওই শিক্ষককে বেধরক পিটিয়ে জখম করলে তাকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ঘটনায় ওই শিক্ষক বাদী হয়ে গ্রামের মাওলানা আজিজুর রহমানকে (মাদরাসা শিক্ষক) তার স্ত্রীর মৌখিক অভিযোগের প্রেক্ষিতে বেধরক পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার ৮ দিন পর বৃহস্পতিবার রাতে ওই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মামলার পর থেকে ওই চেয়ারম্যান পলাতক রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।


জানা যায়, পারিবারিক কলহের কারণে ৪ সন্তানের জননী আমেনা আক্তার গত ৯ এপ্রিল তার স্বামী রাজামেহার ইউনিয়নের বেতরা দাখিল মাদরাসার শিক্ষক  আজিজুর রহমানের বিরুদ্ধে ওই ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের নিকট তাকে নির্যাতনের মৌখিক অভিযোগ করেন। স্ত্রীর এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউপি চেয়ারম্যান ওই শিক্ষককে বেধরক পিটিয়ে জখম করলে তাকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ঘটনায় ওই শিক্ষক বাদী হয়ে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার থানায় অভিযোগ দাখিল করলেও মামলা রেকর্ড হয়নি। কুমিল্লা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাখাওয়াত হোসেন জানান, শিক্ষকের অভিযোগটি যথাসময়ে থানায় রেকর্ড ও আসামিকে গ্রেফতার না করায় পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলামের নির্দেশে বৃহস্পতিবার রাতে দেবিদ্বার থানায় যাই এবং রাতেই মামলা রেকর্ড হয়েছে। মামলার আসামি চেয়ারম্যানকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে। চেয়ারম্যান এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। 

অপরদিকে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার চাঁনপুর গ্রামের মাঈন উদ্দিন আহমেদ রুবেল নামে এক যুবক ওই এলাকায় সরকারি ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ এনে প্রতিবাদ করায় তাকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এ ঘটনায় রুবেল গত ৮ এপ্রিল কোতয়ালি মডেল থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। ওই অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় গোলাম জিলানীসহ ৬ জনকে এজাহার নামীয় আসামি করে গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) রাতে অভিযোগটি থানায় নিয়মিত মামলা হিসেবে রেকর্ড করা হয়। এ ঘটনায় আসামিপক্ষের রাকীব বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাতে রুবেলসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে থানায় পাল্টা মামলা দায়ের করেন। উভয় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইমাম হোসেন জানান, ত্রাণের ঘটনা নিয়ে দুইপক্ষে থানায় পাল্টাপাল্টি মামলা হয়েছে। তবে সাক্ষী এবং গোপন ও প্রকাশ্য তদন্তে প্রকৃত ঘটনা বের হয়ে আসবে এবং দায়ীরা আইনগতভাবে শাস্তি পাবে। 

ইত্তেফাক/কেকে