ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজী মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা করার বিষয়ে বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল) ঐ ইউএনও এবং বোরহানউদ্দিন থানার ওসির এনামুল হককে যে কারণ দর্শানোর নোটিশ করা হয়েছির তা শুক্রবার প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শুক্রবার ভোলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ মোহাম্মদ সানাউল্লাহ হক নোটিশটি রিকল করে নথিজাত করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউএনও মো. বশির গাজী ও ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস।
এর আগে বৃহস্পতিবার কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠান ভোলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ এর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ ফরিদ আলম। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ইউএনও মো. বশির গাজী ও ভোলা কোর্ট ইন্সপেক্টর রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস।
জানা যায়, ভোলার স্থানীয় একটি মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদের ভিত্তিতে বোরহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী অফিসার এবং বোরহানউদ্দিন থানার ওসিকে কারণ দর্শনার যে নোটিশ করা হয় সেটির যাচাই বাছাই করে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়নি। এ কারণে ভোলার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ মোহাম্মদ সানাউল্লাহ হক ওই কারণ দর্শনার নোটিশটি রিকল বা প্রত্যাহার করেন।
বোরহানউদ্দিন উপজেলার কুতুবা ইউনিয়নের নতুন বাজারের ব্যবসায়ী সেলামত ও বোরহানউদ্দিন পৌর এলাকার ডিলার আব্দুল মান্নানকে মোবাইল কোর্টে জরিমানার করার ঘটনায় বোরহানউদ্দিন উপজেলার নির্বাহী অফিসার এবং বোরহানউদ্দিন থানার ওসিকে কারণ দর্শানো নোটিশ দেয়া হয়।
নোটিশে আগামী ২৮ মে ২০২০ ওই মোবাইল কোর্ট পরিচালনার যাবতীয় ডকুমেন্ট উপস্থাপন ও আইনগত ব্যাখ্যা আদালতে উপস্থাপনের নির্দেশ দেয়া হয়।
এ বিষয়ে উপজেলার নির্বাহী অফিসার মো. বশির গাজী জানান, জব্দকৃত চাল দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ঘর নির্মাণ প্রকল্পের ছিল। কিন্তু ওই অনলাইন মিডিয়ায় চালগুলো ওএমএস'র বলে সংবাদ প্রচার করেছে বলে দাবি করেন তিনি। এজন্য বিজ্ঞ আদালত ওই অনলাইন নিউজের প্রতিপ্রেক্ষিতে এ কারণ দর্শানোর নোটিশ করেছেন।
তিনি আরও জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ঘর নির্মাণ প্রকল্পের চাল বাইরে বিক্রি করায় আমি মোবাইল কোর্টে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনে ২০১২ এর ৩৯ ধারায় জরিমানা করেছি।
ইত্তেফাক/কেকে