বিশ্ববিদ্যালয়ে জীবনে পা দেওয়ার পর, দ্বিতীয় বর্ষ থেকেই মনে হত ইশ! যদি একটি ক্যাম্পাস রেডিও খুলতে পারতাম। কিন্তু নানা কারনে তখন আর হয়ে ওঠে নি। কিন্তু ইচ্ছাটা কোথাও একটা রয়েই গিয়েছিলো। লকডাউনের অলস সময় যখন আর কাটতে চাইছিলোনা ভাবলাম একটা কিছু করি। তো কি করা যায় ভাবতে ভাবতে রেডিও খোলার চিন্তা আবার মাথায় আসলো।
কথাগুলো বলছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা ডিসিপ্লিনের মাস্টার্স ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী উজ্জ্বল সাহা। অনার্সে পড়া অবস্থায় যার ছিলো ক্যাম্পাস রেডিও খোলার প্রবল ইচ্ছা। অবশেষে ২১ এপ্রিল (মঙ্গলবার) যাত্রা শুরু করতে চলেছে তার ‘রেডিও টিং টং’।
তিনি বলেন, ‘এটি একটি অনলাইন রেডিও স্টেশন। রেডিওর পরিধি খুবই ছোট। আমিই সব! আমিই আর জে। আমিই টেকনিক্যাল কাজ করি আবার আমিই পোস্টার বানাই। এ রেডিওতে চেষ্টা করবো ক্যাম্পাসের ক্রিয়েটিভ শিক্ষার্থীদের নিয়ে শো করার। যারা ফটোগ্রাফি, পাবলিক স্পিকিং এরকম বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ। তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরার চেষ্টা করবো বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থীদের কাছে।’
রেডিওটির নাম ‘রেডিও টিং টং’ দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে উজ্জ্বল সাহা বলেন, ‘টং মানে চায়ের দোকান। চায়ের দোকানের আড্ডাটাকেই আসলে ঘরে আনার চেষ্টা করেছি রেডিওতে। আর টিং শব্দটি এসেছে কাপের সাথে টোকাটুকির শব্দ আর মোবাইলের নোটিফিকেশন এর টিং করা শব্দ থেকে। এই থেকে নাম হলো ‘রেডিও টিংটং’।’
ভবিষ্যতে এ অনলাইন রেডিওকে আরও বড় করার পরিকল্পনা আছে বলে জানান তিনি। তার পরবর্তী লক্ষ্য বাংলাদেশের এমন তরুণদের এর সাথে যুক্ত করা যাদের মধ্যে সৃজনশীলতা আছে।
ইত্তেফাক/বিএএফ