লকডাউনের মধ্যেই চলছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরের রপ্তানি কার্যক্রম। এদিকে এ বন্দর দিয়ে হুট করে বেড়ে গেছে ভারতে পণ্য রপ্তানি। গত সপ্তাহে রপ্তানি কার্যক্রম চালুর পদুইদিন ধরে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি হারে পণ্য নিয়ে আসছে সারি সারি ট্রাক।
এ অবস্থায় নারায়ণগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ট্রাক চালক ও সহকারীদের নিয়ে চিন্তায় পড়ে প্রশাসন। আলোচনায় আসে তাদের মাধ্যমে করোনায় সংক্রমণের ঝুঁকির বিষয়টি। পরে সার্বিক পরিস্থিতিতে নিয়ে স্থলবন্দরের অভ্যন্তরে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে সংশ্লিষ্টদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।
আরও পড়ুন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গরুর ঘাস নিয়ে দ্বন্দ্বে ৭ বছরের শিশুকে খুন
সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে- একটি প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে পণ্য রপ্তানির বিপরীতে প্রতিদিন পাঁচটির বেশি ট্রাক বন্দরে আনা যাবে না। ট্রাক চালক ও সহকারীরা স্থানীয় হোটেলে বসে ইফতার কিংবা সেহরি খেকে পারবেন না। অনুমতির ছাড়পত্র পাওয়া পণ্যবাহী ট্রাকই শুধুমাত্র বন্দরের বাইরে সড়কে অবস্থান করতে পারবে। সন্দেহ হলে চালক ও সহকারীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। এছাড়া দ্রুত সময়ের মধ্যে ট্রাক চালক ও সহকারীদের থাকার জন্য একটি শেড নির্মাণ করে দেওয়া হবে।
আখাউড়া স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তারিকারক অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, রবিবার বন্দরে অন্তত ৬০টি ট্রাকের চালক ও সহকারীরা আছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে হওয়া বৈঠকে যেসব নিয়ম বেঁধে দেওয়া হয়েছে সেগুলো মানতে সবাইকে ইতিমধ্যেই বলে দেওয়া হয়েছে।
আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তার রেইনা জানান, রপ্তানি বাড়ায় অতিরিক্ত হারে ট্রাক চালক-সহকারীদরে বন্দরে অবস্থানের কথা জেনে সংশ্লিষ্ট সকলের সঙ্গে বৈঠক করা হয়। চালক ও সহকারীদের মাধ্যমে সংক্রমণের ঝুঁকি থাকায় কিছু নিয়ম বেধে দেওয়া হয়েছে। আশা করছি এতে ঝুঁকি অনেকটাই কমে আসবে।
ইত্তেফাক/এসি