বাংলাদেশের উত্তর ও পশ্চিম অঞ্চলে গম উত্পাদন বেশি হয়

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়

হিমন এডওয়ার্ড গমেজ, সিনিয়র শিক্ষক

সেন্ট গ্রেগরী হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজ, ঢাকা

জলবায়ু ও দুর্যোগ

 

১. নদী ভাঙনের অন্যতম প্রাকৃতিক কারণ কী?

উ: বন্যা।

২. কেন নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়?

উ: মানবসৃষ্ট এবং প্রাকৃতিক কারণে।

৩. নদী ভাঙনের জন্য দায়ী মানবসৃষ্ট কারণ গুলো কী?

উ: নদী থেকে বালি উত্তোলন এবং নদী তীরবর্তী গাছপালা কেটে ফেলা।

৪. নদীর পাড় রক্ষার জন্য কে কাজ করে যাচ্ছে?

উ: পানি উন্নয়ন বোর্ড।

৫. বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে খরার প্রবণতা বেশি?

উ: উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে।

৬. বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে খরার প্রবণতা বেশি কেন?

উ: দীর্ঘকাল ধরে শুষ্ক আবহাওয়া ও অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত এবং অল্পসংখ্যক নদী থাকার কারণে।

৭. কলকারখানার মাধ্যমে বায়ু দূষণের ফলে কী হয়?

উ: তাপমাত্রা বেড়ে যায় এবং পরিবেশ শুষ্ক হয়ে যায়।

৮. খরার ফলাফলগুলো কী?

উ: পুকুর, নদী, খাল বিল শুকিয়ে যায়, মাঠে ফসল ফলাতে কষ্ট হয়, গবাদিপশুর খাদ্যসংকট দেখা দেয় এবং খাবার পানির অভাব দেখা দেয়।

৯.কিসের কারণে বাংলাদেশে ভূমিকম্পের নিশ্চিত ঝুঁকি রয়েছে?

উ: ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে।

১০. বাংলাদেশের কোন অঞ্চল অধিক ভূমিকম্পপ্রবণ ?

উ: উত্তর-পূর্ব অঞ্চল ।

১১. বাংলাদেশের কোন অঞ্চল তুলনামূলক কম ভূমিকম্পপ্রবণ?

উ: দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল।

১২. বাংলাদেশকে কয়টি ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকাতে ভাগ করা হয়েছে?

উ: তিনটি।

১৩. মৃদু ভূমিকম্পে কিভাবে বড় ধরণের বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব?

উ: ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে সরকারি সতর্কতা অবলম্বন করে।

১৪.  বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে এর দ্বিতীয় ঝুঁকি হিসেবে কী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে?

উ: সুনামি ও বন্যা।

১৫. ভূমিকম্পের পূর্ব প্রস্তুতিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?

উ: তিন ভাগে।