শিবচরের ৬ বারের সফল সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী লিটনের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী কোভিড-১৯ এর মাঝে যারা দিনরাত কাজ করছেন তারাই সাহসী করোনা যোদ্ধা।
শিবচর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো: আসাদুজ্জামান ও শিবচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম আজাদ নিজেদের ও পরিবারের সকলকে ঝুঁকিতে রেখে অন্য সবার জন্য হাত বাড়িয়েছেন মহামারি করোনা ভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর মাঝে। এক কথায় তারা দুজনেই সম্মুখ সমরে থাকা দুই সাহসী করোনা যোদ্ধা।
এছাড়াও জেলা-উপজেলা প্রশাসন, ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভার জনপ্রতিনিধিরা, জেলা-উপজেলা আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী দিনরাত কঠিন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত চিফ হুইপের নির্দেশনা অনুযায়ী উপজেলা চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন খান, পৌর মেয়র আওলাদ হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল লতিফ মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক ডা: মো: সেলিম, পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি তোফাজ্জেল হোসেন তোতা খান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ইলিয়াস পাশা, সাধারণ সম্পাদক খায়রুজ্জামান খান, উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দসহ আরও অনেকেই শিবচর উপজেলার ১৯টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় প্রত্যেকটি পরিবারের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্ন খাবার সহায়তা ও ঈদ উপহার সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছে। এছাড়াও কিছু জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দরা দলের জন্য তাদের নিজের টাকা খরচ করে বিভিন্ন দুর্যোগে সাহায্য সহযোগিতা ও বিভিন্ন দিবস সহ এলাকায় কোন মানুষ বিপদে পড়লে তাদের পাশে দাঁড়ায়। যেমন এমবিএ ডিগ্রি অর্জনকারী ও ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোহসেন উদ্দিন সোহেল বেপারী ৯টি ওয়ার্ডের অসহায় ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মাঝে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী, নগদ টাকা, শিশুখাদ্য, ইফতার সামগ্রী এবং ঈদ উপহার সামগ্রী নিজেই ঘরে ঘরে গিয়ে বিতরণ করে জনগণের কাছ থেকে উপাধি পেয়েছেন মানবতার ফেরিওয়ালা চেয়ারম্যান।
অপরদিকে কুতুবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও ব্যবসায়ী মাসুদুর রহমান দুলাল বেপারী করোনার শুরু থেকেই অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। এবং মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিজেই বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী তাদের হাতে তুলে দেন। এছাড়া কেউ যদি বিপদে পড়ে তার কাছে আসে তাদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করার জন্য ব্যস্ত হয়েই পড়ে। দলের জন্য নিজের টাকা খরচ করে বিভিন্ন দুর্যোগে ও বিভিন্ন দিবসে সাহায্য সহযোগিতা করে থাকে।
অন্যদিকে দক্ষিণ বহেরাতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: অলিউল্লাহ খালাসী করোনার শুরু থেকেই অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তার মোবাইল নম্বর ফেসবুকসহ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে দিয়ে বলেছিলেন কেউ যদি নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য ও ইফতার সামগ্রীর প্রয়োজন হয় তাহলে আমার মোবাইল নম্বরে ফোন করবেন। আপনাদের নাম ঠিকানা গোপন রাখা হবে। এমনকি কোন ফটো সেশন করা হবে না।
মাদবরেরচর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহসভাপতি আ: হালিম রাঢ়ী ও চরজানাজাত ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মালেক তালুকদার তারা দুইজনই করোনার শুরু থেকেই নীরবে অসহায় ও দুস্থদের মাঝে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী ও ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন।
করোনার প্রাদুর্ভাবে সারাদেশে যখন লকডাউন পরিস্থিতি বিরাজ করছিল তখন ঘরে আটকা পড়া অসহায় ও নিম্ন আয়ের মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও ব্যবসায়ী মো: সজিব হাওলাদার। এছাড়াও তিনি খেটে খাওয়া পথচারীদের মাঝে সাবান ও মাস্ক বিতরণ করেন। এবং জীবাণু নাশক ওষুধ স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্ত পর্যন্ত ছিটিয়ে দেয়। এছাড়াও তিনি নিজেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা ও প্রয়োজন ব্যতীত ঘর থেকে বের না হওয়ার জন্য মাইকিং করেন।
ইত্তেফাক/এমআরএম