ছাতকে বন্যা পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটেছে। বন্যায় তলিয়ে গেছে বহু রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ও মাছের খামার। পৌরসভাসহ উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। শনিবার রাত থেকে ছাতকের সঙ্গে জেলা সদরসহ দেশের সকল অঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। সুরমা, চেলা ও পিয়াইন নদীতে পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এখানে ১৩০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের হিসাব মতে, সুরমা নদীর পানি ছাতক পয়েন্টে বিপদসীমার ১৭৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে উপজেলা সদরের সঙ্গে ১৩টি ইউনিয়নের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। বন্যা দূর্গতদের আশ্রয়ের জন্য নোয়ারাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তাতিকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও চন্দ্রনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে তিনটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত স্বাস্থ্যকর্মীকে বাড়ি ছাড়তে মালিক ও ভাড়াটে পুলিশের হুমকি
ছাতকেে এক লাখ লোক পানিবন্দি রয়েছেন জানিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো গোলাম কবির বলেন, ছাতকে তিনটি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। আরও কটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আশ্রয়কেন্দ্রের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় মেডিকেল টিম গঠন সহ সবধরনের প্রস্তুতি রয়েছে।
সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক জানান, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বিভিন্নভাবে মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এসব মানুষদের সরকার সহায়তা করবে। পানিতে তলিয়ে যাওয়া রাস্তাঘাট দ্রুত সংস্কার করা হবে।
ইত্তেফাক এসি