বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা, সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ হক শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টায় দক্ষিণ সুরমার নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি.....রাজিউন)।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৯। এম এ হক সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনে বদর উদ্দিন কামরানের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বি ছিলেন। বেলা ২ টায় মরহুমের মরদেহ তার যতরপুরের বাসায় নেওয়া হয়। সেখানে নেতাকর্মী জড়ো হন। সিলেট জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামিম জানান, আজ শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৫টায় নগরীর হযরত মানিকপীর (র.) মাজার টিলা সংলগ্ন মাঠে মরহুমের প্রথম জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। পরে তার লাশ নিয়ে যাওয়া হবে বালাগঞ্জের দেওয়ানবাজারে। শুক্রবার রাত ৮টা পর তার লাশ দাফন করা হবে জন্মস্থান বালাগঞ্জের দেওয়ানবাজার ইউনিয়নের কুলুমা গ্রামে মা-বাবার পাশে। নিউমোনিয়া ও করোনার উপসর্গ নিয়ে সিলেটের নর্থ ইস্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এম এ হকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে গত বুধবার রাতে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার বিকালে তার শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহ¯পতিবার সকালে তার করোনা টেস্টের জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এম এ হকের ছেলে ব্যারিস্টার রিয়াশাদ আজিম আদনান হক তার বাবার জন্য সবার দোয়া কামনা করেছেন।
মরহুমের রুহের মাগফেরাত ও শোকার্ত পরিবারে সমবেদনা জানিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন, সহ-সাংগঠনিক ও সাবেক এমপি দিলদার হোসেন সেলিম ও কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন । তারা বলেন, এম এ হকের মৃত্যু বিএনপির রাজনীতির জন্য বিরাট ক্ষতি। সিলেট অঞ্চলে বিএনপিকে সংগঠিত করার পেছনে তারা এম এ হকের অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।
ইত্তেফাক/এসি