টানা বর্ষণ আর উজানের পাহাড়ি ঢলে আবারও হু হু করে বাড়ছে গাইবান্ধার সব নদ-নদীর পানি। ব্রহ্মপুত্র নদসহ যমুনা, তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। রবিবার বিকেল ৩ টায় ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ৩০ সেন্টিমিটার, তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় আবারও বন্যায় পানিবন্দি হয়ে জেলার মানুষ। এদিকে নদীভাঙনে বিলীন হচ্ছে গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। হুমকিতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মোখলেছুর রহমান জানান, নতুন করে পানি বৃদ্ধি ফলে ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বিভিন্ন পয়েন্ট যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত সপ্তাহে ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ৮২ সেন্টিমিটার ওপর ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। ফলে গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও ফুলছড়ি উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েন। সেই বন্যার পানি গত ৬ জুলাই বিপদসীমার নিচে নামার ৩ দিনের মাথায় আবার বন্যা দেখা দিলো।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা একেএম ইদ্রিশ আলী বলেন, বন্যা কবলিতদের সহযোগিতা করার জন্য জেলা প্রশাসন প্রস্তুত আছে। এছাড়া বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
ইত্তেফাক/এসি