স্পোর্টস রিপোর্টার
ফুটবল ছেড়ে কোচিং পেশায় জড়িয়েছিলেন সাবেক মিডফিল্ডার নুরুল হক মানিক। খুদে ফুটবলারদের নিয়ে ২০১২ সালে জাপানেও গিয়েছিলেন। বাফুফের তালিকাভুক্ত এই কোচ বেঁচে থাকাকালে কোচিং কোর্স করে নিজের জ্ঞান আরো বাড়াতে চেয়েছিলেন। এএফসির ‘সি’ ও ‘বি’ লাইসেন্স শেষ করে ‘এ’ লাইসেন্স কোর্সও করেছিলেন বাফুফের টেকনিক্যাল ডাইরেক্টর অস্ট্রেলিয়ান পলস্মলির কাছে। কিন্তুকোর্স সম্পন্ন করে সার্টিফিকেট গ্রহণের আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে গত ১৪ জুন পৃথিবী ছেড়ে চলে যান জাতীয় দলের হয়ে খেলা মানিক। ফলে কোনো দিন আর তার জানা হবে না ‘এ’ লাইসেন্স কোর্সে পাশ করার বিষয়টি।
মানিকের সাথে কোচিং লাইসেন্সটি পেয়েছেন কানন, রজনী, মিন্টুও। এএফসি হতে আসা কোচদের ফলাফল ঘোষণার সময় মানিকের নামটা বলতে গিয়ে বাফুফের কর্মকর্তারা একটু থেমে গিয়েছিলেন। গত জুলাইয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত কোর্সে বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, ভুটান, মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া থেকে কোচরা অংশ নেন। তিনটি ক্যাটাগরিতে ‘এ’ কোর্সে ২৪ জন, ‘বি’ কোর্সে ২৩ জন এবং ‘সি’ লাইসেন্স কোর্সে ২৪ জন উত্তীর্ণ হন। এছাড়া সাবেক গোলকিপার ছাইদ হাসান কানন, প্রিমিয়ার লিগের কোচ জুলফিকার মাহমুদ মিন্টু, আলতাফুল হক, গোলকিপিং কোচ নুরুজ্জামান নয়ন, সাফ চ্যাম্পিয়ন ফুটবলার রজনী, জাবেদ, শাহিনুল, শহিদুল, দিপক, এমদাদ, সালাহউদ্দিন, সেলিম প্রমুখ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে উত্তীর্ণ হয়েছেন। গত সোমবার ঢাকায় অবস্থানকারী কয়েক জনের হাতে সার্টিফিকেট তুল দেন বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিন।