বেনাপোল বন্দরের কাস্টম হাউসে রাজস্ব ফাঁকির সহযোগিতায় ৩ কর্মকর্তা বরখাস্তসহ ২টি সিএন্ডএফ লাইসেন্সের কার্যক্রম সাময়িক স্থগিত করা হয়েছে। সোমবার সন্ধ্যায় (১৩জুলাই) তাদেরকে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্তকৃত ওই তিন কর্মকর্তা হলেন-রাজস্ব কর্মকর্তা নাশেদুল ইসলাম, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আশাদুল্লাহ ও ইবনে নোমান।
কাস্টম সূত্র জানায়, ঢাকার আমদানীকারক মেসার্স আলহামদুলিল্লাহ এন্টারপ্রাইজ ভারত থেকে ৬৬৫ প্যাকেজ মোটর পার্টসসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে। পণ্য চালানটি আমদানি হওয়ার পর কাস্টম এর কাছে সংবাদ আসে এ চালানে বড় ধরনের রাজস্ব ফাঁকি রয়েছে। কিন্তু সংশ্লিষ্ট সিএন্ডএফ এজেন্ট সুকৌশলে কাস্টমসের একজন রাজস্ব কর্মকর্তা এবং ২ জন সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে পণ্য চালানটি গোপনে খালাস করেন।
আরও পড়ুন: বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায়দের মাঝে মধ্যনগর থানা আওয়ামী লীগের ত্রাণ বিতরণ
পরে অতিরিক্ত কমিশনার ড. নেয়ামুল ইসলাম বুঝতে পেরে চালানটির ৪ ট্রাক পণ্য আটকের নির্দেশ দেন। কিন্তু তার নির্দেশ উপেক্ষা করে এ তিন রাজস্ব কর্মকর্তার সহযোগিতায় ট্রাকগুলো ছেড়ে দেওয়া হয়। যার ফলে সরকারের ৩০ লাখ টাকার রাজস্ব ফাঁকি হয়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত কমিশনার সোমবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত রাজস্ব কর্মকর্তা নাশেদুল ইসলাম, সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আশাদুল্লাহ ও ইবনে নোমানকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।
তাছাড়া রাজস্ব ফাঁকির অভিযুক্ত সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স মদিনা এন্টারপ্রাইজ ও মেসার্স মাহিবি এন্টারপ্রাইজের লাইসেন্স ২টি সাময়িক বাতিল করা হয়।
এ ব্যাপারে বেনাপোল কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার ড. নেয়ামুল ইসলাম জানান, ‘ঘটনাটি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে জানানো হয়েছে।’
ইত্তেফাক/এএএম